kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

ভেঙেই পড়ল সেই সেতু

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেঙেই পড়ল সেই সেতু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাখিমারা খালের ওপর নির্মিত লোহার সেতুটি গতকাল সকালে ভেঙে পড়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাখিমারা খালের ওপর নির্মিত গামইরতলা ঝুঁকিপূর্ণ লোহার সেতুটি অবশেষে গতকাল বুধবার সকালে ভেঙে পড়েছে। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ জানা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ সংস্কারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ সময় তিনজন আহত হয়। আহতরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতরা হলো রাসেল, আসাদুল ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়ামিন। এ ঘটনায় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. মশিউর রহমান জানান, হঠাৎ শব্দ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি সেতুটির ৮০ শতাংশ পানির নিচে ভেঙে পড়েছে। সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটল। গামইরতলা গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়া জানান, এ সেতুটি দিয়ে নীলগঞ্জের সবজি চাষিরাসহ মজিদপুর, কুমিরমারা, বাইনতলা, এলেমপুর, পূর্বসোনাতলা, ফরিদগঞ্জ, গামইরতলা, গুটাবাছা, নেয়ামতপুর, ইসলামপুর ও নাওভাঙ্গা গ্রামের মানুষ চলাচল করত। গামইরতলা বিদ্যালয়ের ৬০ শতাংশ শিশু এই সেতু পার হয়ে স্কুলে আসে। এখন সমস্যার শেষ নেই। ১১টি গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ল।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে এলজিইডি এই ব্রিজটি নির্মাণ করে। তখনই নিম্নমানের স্লাব ও লোহার কাঠামো খারাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এখন দুর্ভোগ লাঘবে গ্রামের মানুষ দ্রুত একটি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এলজিইডি কলাপাড়ার উপসহকারী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গামইরতলার ৮৮ মিটার দীর্ঘ লোহার সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

গত বুধবার সকালে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষি গ্রাম কুমিরমারা, পূর্বসোনাতলাসহ ১১টি গ্রামের মানুষের গুরুত্বপূর্ণ লোহার সেতুটি বিধ্বস্ত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো মানুষ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা