kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৬  মে ২০২০। ২ শাওয়াল ১৪৪১

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

বাড়ির পথে বহু মানুষ ৪০ কিমিজুড়ে যানজট

মহাসড়কে হঠাৎ যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত যানজটের সৃষ্টি হয়

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাড়ির পথে বহু মানুষ ৪০ কিমিজুড়ে যানজট

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ২৩টি প্রবেশপথ বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। ছবিটি উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পলাশতলী-চকপাড়া এলাকা থেকে গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গত মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে নাটিয়াপাড়া পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

যানজটে আটকে পড়ে করোনার প্রভাবে ১০ দিনের বন্ধে ঘরে ফেরা হাজার হাজার যাত্রী। পরদিন বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নারী ও শিশুরা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত ১০ দিনের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। এতে মহাসড়কে যানবাহনের চাপও বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

এ ছাড়া মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার হাঁটুভাঙ্গা, জামর্কী ও কদিম ধল্যায় ছয় লেনের আন্ডারপাসের কাজ চলমান থাকায় এবং রাস্তার ওই অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে মির্জাপুর হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে।

গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়া পর্যন্ত ১৪ ঘণ্টা স্থায়ী ভয়াবহ এ যানজটে হাজারো যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়ে। রাত ১টায় ঢাকা থেকে আসা উত্তরবঙ্গগামী বাসের যাত্রী রুমিনা বেগম জানান, করোনার কারণে ১০ দিনের ছুটি হওয়ায় গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। রাত ৩টার দিকে চন্দ্রা এলাকায় যানজটে আটকে পড়েন।

উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা আলুভর্তি ট্রাকের চালক আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার ভোর ৪টায় বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বুধবার সকাল ১১টায় তিনি মির্জাপুর এসে পৌঁছান।

এ বিষয়ে মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মহাসড়কে হঠাৎ যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। দুপুর ১টার পর থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা