kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

রাজাপুরে সরকারি পাঠ্য বইসহ ট্রাক জব্দ

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি   

১০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজাপুরে সরকারি পাঠ্য বইসহ ট্রাক জব্দ

ঝালকাঠির রাজাপুরে বিনা মূল্যের পাঠ্য বই বিক্রির সময় বইসহ জব্দ করা হয় ট্রাক। ছবিটি গতকাল উপজেলা পরিষদ থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঝালকাঠির রাজাপুরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি বিনা মূল্যের পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগে বিপুল পরিমাণ বইসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরের মডেল পাইলট উচ্চ বালক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাসার তালুকদারকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম।

জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে সরকারি বিনা মূল্যের যেসব বই বিতরণের পর উদ্বৃত্ত ছিল তা রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ফাজিল মাদরাসার কক্ষে মজুদ করা ছিল। বইগুলো সংরক্ষণের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। এই কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বই বিক্রি করতে হবে। অথচ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার তালুকদার কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে প্রায় ২০ টন পাঠ্য বই ১৩ টাকা ৭৫ পয়সা কেজি দরে দিনাজপুরের সৈয়দপুরের এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। সেই সুবাদে গতকাল দুপুরে রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গুদাম থেকে বইগুলো ট্রাকে উঠাতে শুরু করেন শ্রমিকরা। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার। পরে বইসহ ট্রাকটি জব্দ করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন তিনি।

এ বিষয়ে ট্রাকের চালক মো. সুমন ব্যাপারি বলেন, ‘২০ টন বই সৈয়দপুরে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজাপুরের  এক ব্যবসায়ী গাড়ি ভাড়া করেছিলেন। সে জন্য আমরা বইগুলো গাড়িতে তুলছিলাম।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার বলেন, ‘নিয়মবহির্ভূতভাবে বিনা মূল্যের সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাসার তালুকদার বলেন, ‘নতুন পাঠ্য বই রাখার জায়গা না হওয়ায় পুরনো বইগুলো বিক্রি করা হয়েছে। তবে নিয়মবহির্ভূত কিছু করা হয়নি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা