kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

বাঘারপাড়া

জব্দ তেল আত্মসাতের চেষ্টা বিদায়ী ওসির!

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি    

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোরের বাঘারপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দ করা প্রায় এক হাজার কেজি ভেজাল সরিষার তেল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট থানার সদ্য বিদায়ী ওসি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) জামাল আল-নাসের গত মঙ্গলবার জিডিটি করেছেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়েছে পরদিন বুধবার। প্রসঙ্গত, বদলির কারণে গত সোমবার কেশবপুরে যোগ দিয়েছেন ওসি জসিম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নারিকেলবাড়িয়ায় ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রায় ১০ হাজার কেজি ভেজাল গুড়, প্রায় দুই হাজার কেজি ভেজাল সরিষার তেল, বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য এবং বিপুল পরিমাণ চিনির খালি বস্তা জব্দ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া আফরোজ। পরে তিনি জব্দ করা মাল ওসি জসিমের হেফাজতে দেন। এ সময় ওসি সব মাল বুঝে নিয়ে ট্রাকে করে থানায় নিয়ে আসেন। পরদিন ২১ ফেব্রুয়ারি ইউএনওর উপস্থিতিতে বাঘারপাড়া পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থানে মালগুলো ধ্বংস করা হয়।

এর আগে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ২১ ড্রাম (প্রতি ড্রামে প্রায় ৪৫ কেজি) ভেজাল সরিষা তেল থানার ভেতর পরিত্যক্ত কক্ষে লুকিয়ে রাখেন ওসি। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার রাতে তদন্ত করতে বাঘারপাড়া থানায় আসেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) জামাল। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতাও পেয়ে থানায় জিডি করেন তিনি।

এ বিষয়ে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) জামাল বলেন, ‘তদন্ত চলছে। দু-এক দিন সময় লাগবে। তদন্তে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অভিযুক্ত করা যাবে না’। অন্যদিকে ইউএনও তানিয়া বলেন, ‘জব্দ করা মাল ওসির (জসিম) হেফাজতে দেওয়া হয়। ৪০ ড্রামের মতো তেল ছিল। পরদিন (২১ ফেব্রুয়ারি) ওগুলো ধ্বংসের জন্য ময়লার ফেলার স্থানে নেওয়া হয়। তেল ও গুড়ের রং একই হওয়ায় তখন বোঝা যায়নি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা