kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

ধর্ষণ মামলায় ছয়জনের যাবজ্জীবন

দণ্ডিতদের সম্পত্তি বিক্রির টাকা পাবে নির্যাতিতা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দণ্ডিতদের সম্পত্তি বিক্রির টাকা পাবে নির্যাতিতা

সিরাজগঞ্জ আদালতে গতকাল হাজির দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি। ছবি : কালের কণ্ঠ

সিরাজগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণ মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির চার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা তরুণীটিকে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার পার পাচিল গ্রামের মো. রাসেল ওরফে রবিউল, নাজমুল, নুরু ওরফে নুর ইসলাম ও আব্দুল মোমিন এবং ভাটপিয়ারী গ্রামের সোহেল ও রাজ্জাক। তাদের মধ্যে সোহেল এবং মোমিন পলাতক। জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনল-১-এর বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি শেখ আব্দুল হামিদ লাবলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভাটপিয়ারী গ্রামের রুম্পার (ছদ্ম নাম) সঙ্গে পাচিল গ্রামের রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল রাতে তাঁকে বিয়ের কথা বলে যমুনা নদীর ভাটপিয়ার চরে আসতে বলেন রাসেল। তাই রাসেলের কথা বিশ্বাস করে চরে যান রুম্পা। কিন্তু রাসেল ফোন করে রাজ্জাক, নাজমুল, নুরু ও সোহেলকে ডেকে এনে রুম্পাকে গণধর্ষণ করেন। পরদিন ২১ এপ্রিল ভোরে জ্ঞান ফিরলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন রুম্পা। এ সময় তাঁকে একা পেয়ে রাস্তার পাশে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় মোমিন। পরে রুম্পার কাছ থেকে ফোন পেয়ে বোন ও ভগ্নিপতি তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় তরুণীটির ভাই থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক, তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসুদেব সিনহা। দীর্ঘ শুনানি শেষে গতকাল উল্লিখিত রায় ঘোষণা করেন আদালত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা