kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই!

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই!

সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো অ্যাপ্রোচ রোড বা সংযোগ সড়ক তৈরি না হওয়ায় সেতু ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে তিন ইউনিয়নসহ আশপাশের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত বিড়ম্বনায় ভুগছেন।

জানা যায়, আলমডাঙ্গার পোলতাডাঙ্গা গ্রামে মাথাভাঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল। ছয় কোটি ৭৪ লাখ ১৮ হাজার টাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের এলবিসি প্রকল্প কর্তৃক নির্মিত হয়েছে এ সেতুটি। খুলনার মোজাহার এন্টারপ্রাইজ ও চুয়াডাঙ্গার মাদানী এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে নির্মাণ করে এ সেতুটি। এলাকাবাসী বলেন, সেতুটি চালু হলে বাড়াদী, গাংনী ও খাদিমপুর ইউনিয়নের ৪৩টি গ্রামসহ ভাংবাড়িয়া ও জেহালা ইউনিয়নের আরো প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে।

আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পোলতাডাঙ্গা গ্রামের সন্তান ইয়াকুব আলী মাস্টার বলেন, ‘সেতুটি উদ্বোধনের পর পাল্টে যাবে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য। কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের উপযুক্ত দাম পাবেন, বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য। একটি সেতু না থাকায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে লক্ষাধিক মানুষের বিড়ম্বনার অন্ত নেই। অনেক পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। কিন্তু মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে সেতু নির্মাণ করা গেলেও সংযোগ সড়ক না হওয়ায় তা খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি রাস্তার জমি ছাড়ছেন না। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, ‘বেশ কিছুদিন হলো সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। তার পরেও এলাকাবাসী সেতুটি ব্যবহার করতে পারছে না শুধু সংযোগ সড়কের অভাবে। পোলতাডাঙ্গা গ্রামের দিকের সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু নদীর অন্য পাড়ে অর্থাৎ মহেশপুরের দিকে সংযোগ সড়ক করা সম্ভব হচ্ছে না। নদীর ওই পারে সড়কের জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন না কয়েকজন। অথচ সড়কের জন্য সেখানে সরকারি খাসজমি আছে। সেই খাসজমি অবৈধভাবে কয়েকজন দখল করে পানবরোজ ও ঘর নির্মাণ করেছে।’ আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন আলী বলেন, ‘সরেজমিন তদন্ত করে দ্রুত আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকেরও নির্দেশনা রয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা