kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

খুলনা

দুঃখের সড়ক ঘুগরাকাঠি-হোগলা

কৌশিক দে, খুলনা   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনা মহানগরী থেকে উপকূলীয় উপজেলা কয়রার দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। আর এই কয়রা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ছয়-সাত কিলোমিটার দূরের পথ ঘুগরাকাঠি-হোগলা সড়ক। দীর্ঘদিন উন্নয়ন ও সংস্কার না হওয়ায় মাত্র আট কিলোমিটার লম্বা এ সড়কটি কয়রা ও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দেড় লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দেখা দিয়েছে। সরু ও জরাজীর্ণ সড়কটিতে মোটরসাইকেল, সাইকেল ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল না করায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয়রা বলেছে, যুগের পর যুগ এ সড়কটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রয়োজনেও অনত্র যেতে পারছে না। আর গেলে বাড়তি টাকা খরচ করে যেতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কয়রার চাঁদ আলী সেতুর নিচ থেকে কয়রা ও কপোতাক্ষ নদের তীর ঘেঁষে চলে গেছে ঘুগরাকাঠি-হোগলা সড়ক। আট কিলোমিটার সড়কের তিন কিলোমিটার আবার মাটির। বাকি অংশ ইট বিছানো। সরু এ সড়কটিতে পাশাপাশি দুটি রিকশা-ভ্যান চলাও অসম্ভব। ফলে বেশির ভাগ মানুষের চলার মাধ্যম মোটরসাইকেল বা সাইকেল।

এলাকাবাসী জানায়, আশাশুনি ও কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাঠি, শেওয়া, হোগলা, লালুয়া, বাগালী গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ। আর এ কারণে এই এলাকায় উৎপাদিত ফসল, মাছসহ অন্যান্য পণ্য কয়রা সদর বা পাশের বাজারে নিয়ে যাওয়া কষ্টকর। আবার ওই এলাকায় যা উৎপাদন হয় না, সেসব পণ্য নিয়ে আসাও সমান কষ্টের।

লালুয়া বাগালী গ্রামের বাসিন্দা লিটন গাইন বলেন, ‘বছরের পর বছর এ রাস্তা নিয়ে আমরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। ব্যবসা-বাণিজ্য করা কষ্টসাধ্য। অসুস্থ হলেও মানুষ চিকিৎসকের কাছে যেতে পারে না।’

সম্প্রতি বাগালী গ্রামে আরচারিতে বিশ্বজয়ী রোমান সানার সংবর্ধনায় সড়কটি নির্মাণের আশ্বাস দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান বাবু। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দীর্ঘদিনেও গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নির্মাণে কেউ উদ্যোগ নেয়নি। আমি এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের দুর্ভোগের শেষ হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা