kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

আমদানি করা সার এখন গলার কাঁটা

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমদানি করা সার এখন গলার কাঁটা

যমুনা সার কারখানার গুদামে জায়গা না থাকায় আমদানি করা সার প্রবেশপথে স্তূপ করে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার যমুনা সার কারখানায় (জেএফসিএল) স্থান সংকুলান না হওয়ায় আমদানি করা সার রাখা নিয়ে বিপাকে পড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে আমদানি করা সার কিনতে কৃষকরা অনীহা প্রকাশ করায় ডিলাররাও পড়েছেন মহাবিপাকে।

অন্যদিকে দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বর থেকে পুনরায় কারখানায় পর্যাপ্ত দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু বিসিআইসি এই কারখানার আওতাধীন ডিলারদের জন্য ইউরিয়া সার আমদানি অব্যাহত রাখায় বেশ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এখনো সার আমদানি অব্যাহত থাকার বিষয়টিকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই।

২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর কারখানার বয়লার স্টার্টারহিটার বিস্ফোরিত হয়। এতে এক বছরেরও বেশি সময় সার উৎপাদন বন্ধ থাকে। ফলে উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে সারের চাহিদা মেটাতে সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ভারত, চীন, আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে উচ্চ মূল্যে তিন লাখ ৬০ হাজার ৩৫ টন ইউরিয়া সার আমদানি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করা ইউরিয়া সার মজুদ আছে ৭৪ হাজার ৮৮৮ টন। আর যমুনায় উৎপাদিত ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে ১৯ হাজার ২৫৪ টন। কারখানায় সার মজুদ রাখার ধারণক্ষমতা মাত্র ১৪ হাজার টন। তাই বাকি সার গুদামের বাইরে বিভিন্ন রাস্তার ওপর ত্রিপল দিয়ে কোনো রকমে ঢেকে রাখা হয়েছে।

মেসার্স পলি এন্টারপ্রাইজের প্রপ্রাইটার এস এম আলম বলেন, ‘ইউরিয়া সারগুলো কৃষক কিনলেও আমদানি করা বিদেশি সার কিনতে চায় না।’

এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আনোয়ার বলেন, ‘আমদানি করা সার নিয়ে যমুনা কর্তৃপক্ষ কোনো বিপাকে নেই। গোডাউনে জায়গা না থাকলেও সারগুলো স্তূপ করে ভালোভাবে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা