kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

দুই হাজার টাকা নিয়ে রসিদে লেখেন ৫২

মণিরামপুরে নায়েবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই হাজার টাকা নিয়ে রসিদে লেখেন ৫২

বাঁ থেকে—দুই হাজার টাকা নিয়ে রসিদ দেওয়া হয়েছে ৫২ টাকার, এক হাজার টাকা নিয়ে রসিদ দেওয়া হয়েছে ১০ টাকার, অভিযুক্ত নায়েব গোলাম রসুল। ছবি : কালের কণ্ঠ

ধানি জমির খাজনা পরিশোধের জন্য দাখিলা কাটতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে গিয়েছিলেন কানাই কর্মকার। এ সময় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) তাঁর কাছ থেকে দুই হাজার টাকা নিয়ে মাত্র ৫২ টাকার রসিদ ধরিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। গত জানুয়ারি মাসে যশোরের মণিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ১১ শতক ধানি জমির খাজনা পরিশোধের জন্য গত ২২ জানুয়ারি দাখিলা কাটতে রোহিতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান গাঙ্গুলিয়া গ্রামের কানাই কর্মকার। এ সময় নায়েব গোলাম রসুল তাঁর কাছে ছয় হাজার টাকা দাবি করেন। অবশেষে নায়েবকে দুই হাজার টাকা দিয়ে দাখিলা কাটান তিনি। কিন্তু নায়েব তাঁকে যে রসিদ দেন তাতে মাত্র ৫২ টাকা উল্লেখ করা আছে। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি দুই শতক ধানি জমির দাখিলা কাটতে একই নায়েবের কাছে যান বাগডোব গ্রামের মতিয়ার রহমান। এ সময় তিনি মতিয়ারের কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়ে মাত্র ১০ টাকার রসিদ দেন।

অভিযুক্ত নায়েব গোলাম রসুল বলেন, ‘অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন। যার কাছ থেকে যা নেওয়া হয়েছে রসিদে তা উল্লেখ করা হয়েছে।’ রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, ‘নায়েব গোলাম রসুলের ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি-এসিল্যান্ড) কাছে সরাসরি অভিযোগ করেছি।’ তবে এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসান বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।’ অন্যদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে নায়েবের (গোলাম রসুল) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা