kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

কালীগঞ্জে পরপর ১৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ

দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে। এ সময় পরপর অন্তত ১৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে অভিযোগ। গতকাল রবিবার সকালে পুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আসাদুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান মনা, হাফিজুর রহমান, মিলনসহ উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়। তাদের মধ্যে আসাদুলের অবস্থা গুরুতর। তাঁকে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর ভাতিজা মিনি মালিথার কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত দুই দিন আগে মিনির সমর্থক বাবুল খাঁকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রী ছমিরন নেছাকে মারধর করে নাছির চেয়ারম্যানের সমর্থকরা। গতকাল সকালেও তারা মিনির সমর্থক হাফিজুর রহমানকে মারধর করে। এর জেরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় অন্তত ১৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

নাছির চেয়ারম্যানের অভিযোগ, ‘(গতকাল) সকালে আসাদুল ও আব্দুল মান্নান মনাকে মিনি মালিথা ও মঞ্জুর নেতৃত্বে মারধর করা হয়। পরে আমরা সেখানে গেলে তারা হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।’

অন্যদিকে মিনি উল্টো অভিযোগ করেন, ‘দুই দিন আগে বাবুল খাঁকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। আবার আজ (গতকাল) সকালে হাফিজুর রহমানকে মারধর করে। নির্যাতিতরা আজ প্রতিরোধ করতে গেলে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় নাছির চেয়ারম্যানের সমর্থকরা। এ সময় হাফিজুর ও মিলন নামে দুজন আহত হয়েছে।’ 

কালীগঞ্জ থানার এসআই আবুল খায়ের বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।’ তবে বোমা বিস্ফোরণের কথা অস্বীকার করে কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মতলেবুর রহমান বলেন, ‘পটকা বা বাজি জাতীয় কিছু ফোটানো হয়েছে। হাতবোমার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা