kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

খোঁজ নিচ্ছে না কেউ

গুরুতর অসুস্থ নাটোরের সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম

নাটোর প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খোঁজ নিচ্ছে না কেউ

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম (৮৬) গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন। গত ২৩ নভেম্বর হৃ     দরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর ডান হাত ও পা অবশ হয়ে গেছে। এখন আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে দেখলেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠছেন। বতর্মানে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলানগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কিন্তু নিজ দল কিংবা রাজনৈতিক সহকর্মীদের কেউ তাঁর খোঁজ নিচ্ছেন না। অনেকটা অবহেলা-অনাদরে তাঁর চিকিৎসা সেবা চলছে। তাঁর উন্নত চিকিৎসা    র জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ১৯৬০ সালে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।

১৯৬৩ সালে রাজশাহী কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে বৃহত্তর রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হন। ১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থান ও ছয় দফা আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৩ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে (সর্বকনিষ্ঠ) এমপি নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৭৫ সালের কালরাতের পরবর্তী সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার পুলিশ। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়েননি জনদরদি এ মানুষটি।

তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা অভিমান করে বলেন, সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেও এখন হাসপাতালের বিছানায় নিঃসঙ্গ সময় পার করছেন। সহকর্মীদের কেউ তাঁকে দেখতে পর্যন্তও আসছে না।

প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার ভাগ্নে মোস্তফা কামাল ডলার বলেন, সাবেক সংসদ সদস্যের কার্ড দেখিয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মন গলানো যায়নি। গত ৮ জনুয়ারি থেকে বারবার বলার পরও পাননি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্য চিকিৎসা সেবা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা নজমুল করিম বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর অদ্যাবধি আওয়ামী লীগ বা সরকারের তরফ থেকে দায়িত্ববান কেউ মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলামের খবর নেননি। তিনি সাইফুল ইসলামের চিকিৎসা   র জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা