kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ধামইরহাটে মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নওগাঁর ধামইরহাটে নির্দয়া কালী মন্দিরের কোটি টাকার জমি দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ উঠেছে সাতটি পরিবারের বিরুদ্ধে। তাই দখলের হাত থেকে জমি রক্ষার জন্য গত বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (্ইউএনও) ও থানার ওসির কাছে অভিযোগ করেছে মন্দির কমিটি। একই সঙ্গে দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে তারা।

জানা যায়, পৌর সদরে এক একর ৫৭ শতাংশ জমির ওপর নির্দয়া কালী মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছে। ধামইরহাট হাটখোলা ও পাকা সড়কের কাছে হওয়ায় জমিটি অত্যন্ত মূল্যবান। অভিযোগ পাওয়া গেছে, ধামইরহাট থানা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রামজনম রবিদাস, তাঁর ছেলে রাজেন্দ্রনাথ রবিদাস, চাচাতো ভাই সন্দ্বীপ রবিদাস, ভাগ্নে দিলীপ রবিদাস, বিমল কর্মকার ও তাঁর চাচাতো বোন আরতি কর্মকার, বাবু তেওয়ারী এবং শরিফ মণ্ডল মন্দিরটির ২০-২৫ শতাংশ জমি দখল করে মোট ১৯টি ঘর তুলেছেন।

মন্দির কমিটির সেক্রেটারি সুমন সাহা অভিযোগ করেন, ‘দখলে বাধা দিলে উল্টো আমাদের মাদক মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেয়।’

এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি রাজেন প্রসাদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ধামইরহাট পৌর মেয়র আমিনুর রহমানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এ নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি পৌরসভায় সালিস বৈঠক বসে। কিন্তু বৈঠকে অভিযুক্তরা উপস্থিত হননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ইউএনও ও থানার ওসির কাছে অভিযোগ করে মন্দির কমিটি।

অভিযোগ অস্বীকার করে রামজনম বলেন, ‘দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু অসহায় হিন্দু ভাইয়েরা কিছু জায়গা দখল করেছে। পৈতৃক সম্পত্তিতে আমার বসতবাড়ি আছে। তার পরও গত বৃহস্পতিবার কিছু লোক আমার বাড়িতে এসে আমাকে হুমকি-ধমকি দেয়। আমি তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি।’

এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ওসি মো. শামীম হাসান সরদার বলেন, দুই পক্ষের কাছ থেকে আলাদা দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ইউএনও গণপতি রায় বলেন, ‘কালী মন্দিরের জমি কেউ ব্যক্তিগতভাবে ভোগদখল করতে পারবে না। জমি উদ্ধারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা