kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হচ্ছে ছোট যমুনা

বদলগাছী-মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হচ্ছে ছোট যমুনা

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ছোট যমুনা নদীর তীরে ময়লা-আবর্জনা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে অবাধে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। এতে দূষিত হচ্ছে নদী ও এর আশপাশের পরিবেশ। ফলে ভরাট হচ্ছে নদীর অংশ।

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারখ্যাত বদলগাছীর ছোট যমুনা নদীর পাশেই রয়েছে বাজার। সেখানে রয়েছে অনেক হোটেল, মাছের বাজার, মুরগির দোকান, মাংসের দোকান, কাঁচা তরকারির বাজারসহ নানা ধরনের দোকান। এসব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীর নতুন সেতুসংলগ্ন বাঁধের অংশে। ফলে দূষিত হচ্ছে নদী ও এর চারপাশের পরিবেশ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাশের হাটখোলা বাজারের বিভিন্ন বর্জ্য এবং সাপ্তাহিক দুটি হাটের সব ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ছোট যমুনা নদীর নতুন সেতুর পাশে থেকে নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

স্থানীয় বাসিন্দা রাব্বি, সুমন, রূপক বলে, গরমের সময় বিকেলে সবাই নদীর পারে বসে বিশ্রাম করে। আবার স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ শরীর ভালো রাখার জন্য নিয়মিত নদীর ধারে হাঁটাহাঁটি করে। কিন্তু নদীর ধারে এভাবে ময়লা ফেলায় হাঁটার আর জো নেই।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী চঞ্চল বলেন, ‘আমাদের ময়লা ফেলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা দেওয়া হয়নি।’

বদলগাছী হাটখোলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘নদীতে ময়লা ফেলা ঠিক নয়।’

বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘বদলগাছীতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশি পর্যটক আসে। সে কারণে এ উপজেলা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার। আর নদীতে ময়লা ফেলে কোনোভাবেই নদীকে দূষিত করা যাবে না। আমি শিগগিরই এখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে ময়লা না ফেলার নির্দেশ দেব।’

বদলগাছী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল আলম খান বলেন, ‘আমি সরেজমিনে দেখে ময়লা ফেলার জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা