kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

সার্কাসে কবিতা

বিশেষ ও কেশবপুর প্রতিনিধি, যশোর   

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সার্কাসে কবিতা

চানাচুর-বাদাম দিয়ে লেখা হয়েছে ‘স্বাগতম মধু মেলা’। সার্কাসে কবিতা পড়া হচ্ছে ‘দাঁড়াও পথিক বর’। মৃত্যুকূপে মোটরসাইকেল ঘুরছে তো ঘুরছেই। সুদূর সাগরদাড়িই নয়, কেশবপুরজুড়ে মানুষের মিছিল। মধু মেলায় লোকে লোকারণ্য। ছয় দিন অনুষ্ঠান চলার পর আজ শেষ হচ্ছে মধু মেলা।

১৩০ বছর ধরে মধু মেলার এই আয়োজনে দেশ-বিদেশ থেকে সাহিত্য অনুরাগীরা ছুটে আসছেন। ১৮৯০ সালে কবির জন্মভূমি কেশবপুরের সাগরদাড়িতে এই মেলা শুরু করেন মানকুমারী বসু। এ সময় থেকেই মধু মেলার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধুসূদন স্মরণ উৎসব।

কবি মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সাগরদাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন। প্রতিবছর ২৫ জানুয়ারি কবির জন্মদিনকে ঘিরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাত দিনের এ অনুষ্ঠানমালা। স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালে মধু জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সরকার এক মাসব্যাপী মধু মেলার আয়োজন করে। ১৯৮৪ সালে সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় মধু মেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর এর কলেবর বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় প্রশাসন ও বিসিক মধু মেলাকে আরো প্রাণবন্ত করেছে। এবার সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা প্রশাসন মেলার আয়োজন করেছে।

এবারের আয়োজনে সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মাইকেল মধুসূদন পদক পেয়েছেন মাসুদ আলম ও অনীক মাহমুদ। গত শনিবার রাতে মধুমঞ্চে এই দুজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন।

দর্শনার্থী খুলনার কলেজছাত্রী অর্থি বলেন, ‘মধু মেলায় এসে প্রাণটা জুড়িয়ে গেছে।’

সাগরদাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘এবারের মেলা খুবই পরিচ্ছন্ন।’

সাগরদাড়ির মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি খসরু পারভেজ বলেন, ‘সব মিলিয়ে এবারের মেলা খুব ভালো হয়েছে।’

যশোরের জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ বলেন, ‘সাগরদাড়ির মধু মেলা এখন বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা