kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পঞ্চগড়ে মেয়ের স্বীকারোক্তিতে বাবার তিন বছরের কারাদণ্ড

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চগড়ে মেয়ের স্বীকারোক্তিতে বাবার তিন বছরের কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড়ে মেয়ের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বাবা কেরামত আলীকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। ভায়রার বিরুদ্ধে তিনি মেয়েকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করেছেন বলে অভিযোগ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা চিফ জুডিশিয়াল আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৯ মার্চ আপন ভায়রা মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন দেবীগঞ্জ উপজেলার রামগঞ্জ বিলাসী হাজারীপাড়া এলাকার কেরামত। মামলায় কেরামত অভিযোগ করেন, তাঁর পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে মোশারফ ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু মামলা চলাকালে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে মেয়েটি স্বীকারোক্তি দেয় যে খালু মোশারফ তার কোনো ক্ষতি করেনি। বাবা ও খালুর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে মামলাটি হয়েছে বলেও স্বীকারোক্তি দেয় সে। স্বীকারোক্তি গ্রহণ করে সেদিনই অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত কেরামতের বিরুদ্ধে ২১১ ধারায় মামলা করে ব্যবস্থা নিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে নির্দেশ দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গতকাল মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে কেরামতকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। আসামি পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়।

তবে কেরামতের স্ত্রী শাহিনা বেগমের দাবি, ‘আমাদের অভিযোগ সত্য ছিল। কিন্তু মেয়েটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গ্রামের সবাই মিলে বিষয়টি সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়। সমঝোতা হলে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য আদালতে গিয়ে তাঁর মেয়ে স্বীকারোক্তি দেয়। আপস করতে গিয়ে উল্টো আমার স্বামীর নামেই আদালত মামলা করে এ রায় দেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা