kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

খুঁজে পাওয়া দুষ্কর খোঁজাখালী খাল

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুঁজে পাওয়া দুষ্কর খোঁজাখালী খাল

যশোরের কেশবপুরে জবরদখলে খোঁজাখালী খাল এভাবেই ছোট হয়ে গেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

জবর দখলের কারণে কেশবপুরের খোঁজাখালী খাল দিন দিন ছোট হয়ে যাচ্ছে। হরিহর নদ থেকে এ খালের উৎপত্তি। কেশবপুর শহরের শ্রীগঞ্জ ব্রিজের সামনে থেকে হরিহরের শাখা খালটি প্রবাহিত হয়ে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বিল বলধালীতে গিয়ে মিশেছে। এক সময়ের খরস্রোতা এ খালের দুই পার দখল হতে হতে এখন জোয়ার-ভাটার পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটায় খালপারের বিল বলধালীসহ কয়েকটি বিলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আর বোরো মৌসুমে বিলের পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এলাকার কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। দখল হওয়ার কারণে খালটি ছোট হয়ে পড়লেও যেন দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসীর দাবি—খালের দুই পারের জায়গা দখলমুক্ত করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিককরণের।

এদিকে সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড হরিহর নদসহ কয়েকটি খালের খনন কার্যক্রম শুরু করেছে। এ জন্য একাধিক স্থানে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। আর এসব বাঁধও পানিপ্রবাহে বাধার সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি খালের পাশঘেঁষে স্থাপনা গড়ে ওঠায় পানিপ্রবাহ দারুণভাবে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এলাকাবাসী এর বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বিল বলধালীর কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘খোঁজাখালীর খালটি একসময় খরস্রোতা ছিল। এখন খালটি সরু হয়ে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে এতে জোয়ার-ভাটাও বাধাপ্রাপ্ত।’ একই বিলের কৃষক আব্দুল খালেক বলেন, খালে পানিপ্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।  

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন বলেন, খালের অংশ দখলমুক্ত করার জন্য আগামী উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় উত্থাপন করা হবে। কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, খোঁজাখালী খাল দিয়ে পানিপ্রবাহে যেন কোনো বাধার সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সি আছাদুল্লা বলেন, ‘খোঁজাখালী খালটি সঙ্কুচিত হওয়ায় পানিপ্রবাহে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে শুনেছি। তা ছাড়া পৌরসভার মেয়রও

বিষয়টি জানিয়েছেন। শিগগিরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে খালটি থেকে পানিপ্রবাহের সব বাধা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা