kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

কাভার্ড ভ্যানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি ফিলিং স্টেশন

বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাভার্ড ভ্যানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি ফিলিং স্টেশন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পৌর অটোস্ট্যান্ডে কাভার্ড ভ্যানে অবৈধভাবে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন বসিয়ে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পৌর অটোস্ট্যান্ডে কাভার্ড ভ্যানে অবৈধভাবে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন বসিয়ে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। রায়গঞ্জ পৌর মেয়র আব্দুল্লাহ আল পাঠানের নেতৃত্বে এই অবৈধ সিএনজি স্টেশন পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, একেকটি কাভার্ড ভ্যানে বড় শতাধিক সিলিন্ডার যুক্ত করে গোপনে বিভিন্ন সিএনজি স্টেশন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস মজুদ করে এনে রায়গঞ্জ উপজেলা সদরের জনবসতিপূর্ণ পৌর অটোস্ট্যান্ডে স্টেশন বসিয়ে বিপজ্জনকভাবে সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, উপজেলা সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে সিরাজগঞ্জ ও ৩৬ কিলোমিটার দূরে বগুড়া থেকে সিএনজি গ্যাস আনতে হয়। এসব সিএনজি স্টেশনে যেতে দীর্ঘ মহাসড়ক পারি দিতে হয়। এসব মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ হওয়ায় পুলিশ মাঝেমধ্যে আটক করে। তাতে তাদের মোটা অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়। তা ছাড়া সময়ও নষ্ট হয়। সে কারণে এ এলাকার শত শত যানবাহন এই ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন থেকে বেশি দামে হলেও গ্যাস নিয়ে থাকে।

কিন্তু কাভার্ড ভ্যানে সংরক্ষিত বিশাল আকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে জানমালের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তার পরও প্রশাসনের বাধা ছাড়াই গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে।

অবৈধ সিএনজি স্টেশন পরিচালনার বিষয়ে জানতে রায়গঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. আব্দুল্লাহ আল পাঠানকে মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে তাঁর ভাই মোমিন পাঠান দাবি করেন, ‘আমরা নই, অটোস্ট্যান্ডের ছেলেরা গ্যাসের ব্যবসা চালাচ্ছে। আমরা সহযোগিতা করছি মাত্র।’

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিস্ফোরক পরিদর্শক ড. মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের সিএনজি স্টেশন শুধু বেআইনিই নয়, মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণও। আমরা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছি স্টেশনটি দ্রুত বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। তা ছাড়া অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডারে গ্যাস দেওয়ার অভিযোগে বগুড়ার মঞ্জু সিএনজি স্টেশনের লাইসেন্স ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।’

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামিমুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করে পৌর স্ট্যান্ডের অবৈধ সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আবারও তা চালু করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা