kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ধুনটে সরকারি গুদামে ধান কেনা বন্ধ, বিপাকে কৃষক

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বগুড়ার ধুনট উপজেলায় সরকারি গুদামে ন্যায্য মূল্যে আমন ধান কেনা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে খাদ্য বিভাগ। খাদ্যগুদামে ধারণক্ষমতা না থাকায় গতকাল রবিবার কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে তালিকাভুক্ত ৮৮৬ জন কৃষক গুদামে ধান বিক্রি করতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন। 

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলার ধুনট ও গোসাইবাড়ী সরকারি খাদ্যগুদামে এক হাজার ৫০০ টন করে খাদ্যশস্য মজুদের ধারণক্ষমতা রয়েছে। চলতি মৌসুমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান কেনার জন্য ধুনট ও গোসাইবাড়ী খাদ্যগুদামের অনুকূলে এক হাজার ৭৭০ টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ধুনট খাদ্যগুদামে এক হাজার ৯৬ টন এবং গোসাইবাড়ী খাদ্যগুদামে ৬৭৪ টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ উপজেলার ২৫ হাজার কৃষকের মধ্যে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর লটারির মাধ্যমে এক হাজার ৭৭০ জন কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হয়। প্রতি কেজি আমন ধানের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২৬ টাকা। প্রত্যেক কৃষকের কাছ থেকে এক টন করে আমন ধান কেনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৯ ডিসেম্বর ধান কেনার উদ্বোধন করা হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃষকের কাছ থেকে আমন ধান কেনা হবে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ধুনট খাদ্যগুদামে এক হাজার ৯৬ টনের মধ্যে ২১০ টন ধান কেনা হয়েছে। এরপর ধুনট খাদ্যগুদামে জায়গার অভাবে ৮৮৬ টন ধান কেনা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে খাদ্য বিভাগ। তবে এ উপজেলার গোসাইবাড়ী খাদ্যগুদামে আমন ধান কেনা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে গোসাইবাড়ী গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছে না কৃষক।

উপজেলার গোসাইবাড়ী খাদ্যগুদামের উপখাদ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গোসাইবাড়ী খাদ্যগুদামের অনুকূলে বরাদ্দ ৬৭৪ টনের মধ্যে ১৮০ টন ধান কেনা হয়েছে। এই গুদামে ধান মজুদের ধারণক্ষমতা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান শুকাতে না পেরে কৃষকরা গুদামে ধান সরবরাহ করতে পারছেন না।’

ধুনট খাদ্যগুদামের খাদ্য পরিদর্শক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এক হাজার ৯৬ টনের মধ্যে ২১০ টন ধান কেনা হয়েছে। কিন্তু খাদ্যগুদামে জায়গা না থাকায় ৮৮৬ জন কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।’

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) সেকেন্দার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ধুনট খাদ্যগুদামে জায়গা স্বল্পতার কারণে ধান কেনা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। খাদ্যগুদামে প্রয়োজনীয় জায়গা খালি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা