kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ কার্তিক ১৪২৭। ৩০ অক্টোবর ২০২০। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মানিকগঞ্জের ঘিওর

অটোবাইক থেকে চাঁদাবাজি!

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানিকগঞ্জের ঘিওর বাসস্ট্যান্ডে সিএনজিচালিত অটোবাইক (হ্যালো বাইক) থেকে অবৈধভাবে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যাণ সমিতি, ঘিওর শাখার নামে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। সাধারণ শ্রমিক ও মালিকদের অভিযোগ, সমিতির সঙ্গে জড়িত না হলেও তাঁদের চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

ঘিওর বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে বানিয়াজুড়ি, বরটিয়া, সিংজুড়িসহ ছয়টি রুটে তিন শতাধিক অটোবাইক চলাচল করে। চালক ও মালিকদের অভিযোগ, ঘিওর বাসস্ট্যান্ডে বাংলাদেশ অটোবাইক শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নামে রসিদ দিয়ে প্রতিটি আটোবাইক থেকে ১৫ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তা ছাড়া গাড়িতে সমিতির নামে স্টিকার লাগিয়ে মাসে চার-পাঁচ শ টাকা আদায় করা হচ্ছে। মাসিক চাঁদা পরিশোধ করার পরই গাড়িতে স্টিকার লাগানো হয়। স্টিকার লাগানো না থাকলে সেই গাড়ি চলতে দেওয়া হয় না।

জানা গেছে, সম্প্রতি ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পরপরই তাঁরা চাঁদাবাজি শুরু করেন। অথচ তাঁরা কেউ অটোবাইক মালিক বা শ্রমিক নন। ঘিওর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম মিন্টুন সুপারিশে ওই কমিটি গঠন করা হয়। অটোবাইক মালিক ও শ্রমিকরা বলেন, প্রভাবশালীদের সায় থাকায় কমিটির লোকজন চাঁদাবাজি করার সাহস পাচ্ছেন। তাঁরা আরো বলেন, শ্রম পরিদপ্তরের ট্রেড ইউনিয়ন সনদ না থাকলে পরিবহন খাত থেকে চাঁদা আদায় করা যায় না। অথচ তাঁরা চাঁদা আদায় করে যাচ্ছেন।

সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল আলম চাঁদা আদায়ের কথা স্বীকার করে বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণে ১০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কমিটিতে স্থান না পেয়ে একটি পক্ষ তাঁদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

মন্তব্য