kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

ধর্মপাশার মাটিকাটা স্কুল

উন্নয়নকাজের দুই লাখ টাকা আত্মসাৎ

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উন্নয়নকাজের জন্য বরাদ্দ করা দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষকসহ দুজন স্কুলের দুটি ল্যাপটপ নিজেদের বাসায় নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সেলবরষ ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ কেনা, ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের জন্য গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী ও প্রধান শিক্ষক মো. মাইদুল ইসলাম গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে টাকা তুললেও কোনো কাজ না করে আত্মসাৎ করেন। অথচ একই বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল।

এ ছাড়া সরকারিভাবে স্কুলের কাজে ব্যবহারের জন্য দুটি ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক মাইদুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মো. আমিন মিয়া ল্যাপটপ দুটি নিজেদের বাসায় নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুল পরিচালনা কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করবেন তো দূরের কথা, তাঁরা দুজন মিলে উন্নয়নকাজের জন্য সরকারিভাবে আসা কত টাকা তুলেছেন—এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানাননি। তবে এসব বিষয়ে সঠিক তদন্ত করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে।’

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলের বরাদ্দ পাওয়া টাকা দিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করেছি। আর ল্যাপটপ দুটি চুরি যাওয়ার ভয়ে সেগুলো স্কুল ছুটির পর আমরা দুজনের বাড়িতে নিয়ে যাই।’ তবে অভিযুক্ত সভাপতি মাঈন উদ্দিনের বক্তব্য, ‘নানা ঝামেলা থাকায় বরাদ্দ পাওয়া টাকা দিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে কাজ চলছে।’ এ সময় ‘দয়া করে নিউজটি না করলে ভালো হয়’ বলে এ প্রতিনিধিকে অনুরোধ করেন তিনি। এ ছাড়া ‘এ ব্যাপারে আমি আপনার সঙ্গে এক ঘণ্টা পরে কথা বলছি’ বলেই মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসিনা আক্তার পারভীন।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা