kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

হাতীবান্ধায় স্বামীর কিল-ঘুষিতে গৃহবধূর চোখ রক্তাক্ত

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় সেলিনা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সেলিনা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুবনী গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের মেয়ে। আর অভিযুক্ত ওমর আলী উপজেলার পূর্ব নওদাবাস গ্রামের জোড়াল মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে সেলিনার সঙ্গে বিয়ে হয় ওমর আলীর। বিয়ের সময় এক লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। কিছুদিন পর সেলিনা জানতে পারেন ওমর আলীর সঙ্গে তাঁর বড় ভাইয়ের স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে কথা বললে প্রায়ই নির্যাতন করা হতো তাঁকে। এর মধ্যেই তাঁদের সংসারে একটি শিশুর জন্ম হয়।

গত সোমবার বিকেলে ওমর আলীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দিতে গেলে সেলিনাকে তাঁর স্বামী কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে সেলিনা অচেতন হয়ে পড়েন এবং তাঁকে আহত অবস্থায় ঘরে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের লোকজন সেলিনাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

আহত সেলিনা বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে তাঁর ভাবির অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিষয়টি বুঝতে পারায় কারণে-অকারণে আমাকে মরধর করা হয়। এমনকি ওই ভাবিও আমাকে প্রায় মারধর করেন। সোমবার আমি তাঁদের বাধা দেওয়ায় আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। আহত অবস্থায় আমাকে ঘরে আটকে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওমর আলী বলেন, ‘সামান্য ভুলের কারণে তাকে মারধর করা হয়েছে। এর বেশি কিছু না। এটা ঠিক হয়ে যাবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা