kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

আগুনমুখায় দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষ, নিখোঁজ ১

সন্ধ্যা নদীতে ট্রলারডুবি

বরিশাল অফিস ও গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় আগুনমুখা নদীতে দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষে তিনজন আহত ও একজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পানপট্টি লঞ্চঘাট গলাচিপা থানার পুলিশ পরিদর্শন করেছে। আহত গলাচিপা পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সেকান্দার (৫৫), মো. সাহাবুদ্দিন সিকদার (৪০) ও স্পিডবোট ড্রাইভার মাহবুব। এর মধ্যে সেকান্দার গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং সাহাবুদ্দিন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। গুরুত্বর আহত মাহবুবকে চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। তবে নিখোঁজের খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন গলাচিপা থানার ওসি আখতার মোর্শেদ।

গলাচিপা পানপট্টি ঘাটের স্পিডবোটের পরিচালক মো. মোমেন বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকায় রাঙ্গাবালীর কোড়ালিয়া ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে গলাচিপার পানপট্টি আসছিল। কিন্তু পানপট্টি ঘাটের কাছাকাছি এলে যাত্রীবাহী স্পিডবোটের সঙ্গে পায়রা বন্দরের অন্য আরেকটি স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ সময় বোটে থাকা পাঁচজনের মধ্যে চারজনকে পাওয়া গেলেও অজ্ঞাতপরিচয় এক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘কোড়ালিয়া ঘাট থেকে তিনজন যাত্রী টিকিট কাটে। কিন্তু ড্রাইভার মাহাবুব জানিয়েছেন একজন টিকিটবিহীন ফ্রি যাত্রী ছিল।’ দুর্ঘটনায় আহত সেকান্দার বলেন, ‘আমরা কোড়ালিয়া ঘাট থেকে তিনজন যাত্রী উঠি। আর স্পিডবোট ড্রাইভারসহ অপর আরেকজন ছিলেন।’

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ওসি আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘আমরা সরেজমিনে পানপট্টি লঞ্চঘাট গিয়েছি। নিখোঁজ ব্যক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য কেউ দিতে পারেনি। তবে আমরা সব ধরনের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি।’

এদিকে বরিশালের বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় একটি কার্গো ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার মসজিদবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকাগমী যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের বেপরোয়া গতিতে চলাচলে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, কার্গোতে ১১ জন আরোহী ছিলেন। তাঁরা সবাই নদীতে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা