kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

যশোরে আনসার খুন

সন্দেহের বশে প্রতিশোধ

যশোর অফিস   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ তিনটি কারণে যশোরে আনসার সদস্য হোসেন আলীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত শনিবার আলাদা স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রাসেল, আনোয়ার, হাবিল ওরফে বার্মিজ, বিজয় কুমার বিশ্বাস, সুজন, সজল হোসেন ও আলী রাজ বাবু ওরফে ছোট বাবু। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আমিনুর রহমান মিঠুকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। এ নিয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামির সংখ্যা দাঁড়াল ৮। গতকাল রবিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানা-পুলিশ মিঠুকে গ্রেপ্তারসহ মামলাটি ডিবি পুলিশে হস্তান্তর করে। পরে মিঠুকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। মিঠুর দেওয়া তথ্য ও সন্দেহভাজনদের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ডিবি পুলিশের একাধিক টিম গত শনিবার রাতে ঢাকার ভাসানটেক ও কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাতে জেলার হাশিমপুর থেকে দুজন ও মাগুরার আড়পাড়া থেকে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল আরো জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সন্ত্রাসী জুয়েলের সঙ্গে হোসেন আলীর বিরোধ ছিল। এ ছাড়া অতীতে চরমপন্থী দলের সদস্য ছিলেন হোসেন আলী। তাঁর প্রতিপক্ষ মুন্নার বাবা বুলি ও জুয়েলের ভাই বাবলা সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হওয়ার ঘটনায় হোসেন আলীর হাত আছে—এ সন্দেহে প্রতিশোধ নেওয়া এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি পোঁতা নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়। হোসেন আলী আনসারে যোগ দিয়ে পুনর্বাসিত হলেও দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া মামলার আসামি মুন্না, জুয়েলসহ অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ নভেম্বর জেলার হাশিপুর বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আনসার সদস্য হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানী, ডিবির ওসি মারুফ আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা