kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

২৪ শহীদ পরিবারের খোঁজ রাখেনি কেউ

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৪ শহীদ পরিবারের খোঁজ রাখেনি কেউ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলা (তৎকালীন থানা) ছিল ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে। সে সময় ২৪ জন মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও তাঁদের পরিবারের খোঁজ রাখেনি কেউ।

তাড়াশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নথি থেকে জানা যায়, একাত্তরের ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের পরপরই তাড়াশের কৃতী সন্তান ম. ম. আমজাদ হোসেন মিলন, আতাউর রহমান, এম মোবারক হোসেন মিয়া ও আনসার প্রশিক্ষক আব্দুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের স্থানীয়ভাবে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে তাঁরা ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন। অন্যদিকে রাজাকাররা বিভিন্ন গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে লুটপাট শুরু করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আশ্রয় নেয়। এ সময় স্বাধীনতাবিরোধীরা পাকিস্তানি সেনাদের পথ চিনিয়ে নিয়ে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। তারা একে একে তাড়াশের জমিদার পরিবারের সন্তান প্রতুল চন্দ্র গোস্বামী ওরফে হীরা লাল গোস্বামী, তাঁর ভাই অতুল চন্দ্র গোস্বামী ওরফে চুনি লাল গোস্বামী, সাংবাদিক ইয়ার মোহাম্মদ, শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র সাহাসহ ২৪ জন মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে।

শহীদ হীরা লালের একমাত্র মেয়ে দীপ্তি লাহিড়ী আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘খোঁজ তো দূরের কথা, আমার বাবার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতেও ৪৮ বছর পেরিয়ে গেল।’ তাড়াশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কমান্ডার গাজী মো. আরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘তাঁদের নামের তালিকা আমরা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডে নথিভুক্ত করেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা