kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ছিলেন ধানের শীষে, এলেন নৌকায়

ঘাটাইলের পাঁচ চেয়ারম্যান

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছিলেন ধানের শীষে, এলেন নৌকায়

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির সমর্থনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত পাঁচ ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে এখন নৌকার যাত্রী হয়েছেন। তাঁদের এই যোগদান নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি বলছে, তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। আর তাঁরও দল থেকে পদত্যাগ করেননি। আর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগদান করলেও পদ্ধতিগতভাবে কেউই দলের সদস্যপদ নেননি।

গত ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ছয়টিতে একজন বিদ্রোহী প্রার্থীসহ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির সমর্থনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত বর্তমান পাঁচ ইউপি চেয়ারম্যান, বিএনপি সমর্থিত সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ তৃণমূলের প্রভাবশালী অনেক নেতা সম্প্রতি আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

আওয়ামী লীগে যোগদানকারী পাঁচ চেয়ারম্যান হলেন উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক ও জামুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইখলাক হোসেন খান শামীম, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও দিঘলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, দিগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও দিগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সন্ধানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এবং ধলাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূঁইয়া।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগে যোগদান করেন দিঘলকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহীন, উপজেলা বিএনপির সদস্য দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনসহ তৃণমূলের অনেক নেতা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রভাবশালী অনেক নেতাকর্মী বিএনপি ছেড়ে সঙ্গী হয়েছেন আওয়ামী লীগের। তাঁরা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেননি। আবার আওয়ামী লীগের সদস্যপদও গ্রহণ করেননি। তাঁদের এই যোগদান সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে সভা-সমাবেশের যোগদানের মধ্যে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলে এসব যোগদানকারী নেতাকর্মীর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। যোগদানকারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেও তাঁদের স্পষ্ট অবস্থান জানা যায়নি।

এ বিষয়ে দিঘলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও দিগড় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন বলেন, তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। তবে দলের সদস্যপদ এখনো লাভ করেননি।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ খ ম রেজাউল করিম বলেন, দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগে যোগদানকারী কাউকেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। আর যোগদানকারী কেউই দলের কাছে পদত্যাগ পত্রও জমা দেননি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু বলেন, ‘তাঁরা কেউ সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেননি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা