kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

যবিপ্রবি

তিনিই এখন অযোগ্য!

যশোর অফিস   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিনিই এখন অযোগ্য!

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রকল্পে হিসাবরক্ষক পদে তিন বছর চাকরি করার পর প্রকল্প রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সময় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। অর্থের বিনিময়ে ওই পদে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তা ছাড়া কর্মরত অবস্থায় তাঁর ওপর নানা অবিচারের অভিযোগও এনেছেন ওই ব্যক্তি।

গতকাল শুক্রবার যশোর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিটি অ্যাশিউর‌্যান্স সেলের (আইওএসি) হিসাবরক্ষক খান মুস্তাফিজুর রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী জান্নাতুল হুসনা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১ জুন থেকে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইওএসি) স্থায়ী প্রকল্পে হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত ছিলেম। উপযুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি ওই পদে নিয়োগ পান। ২০১৯ সালে প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে গেলে তাঁকে স্থায়ীভাবে চাকরিতে বহাল করা হবে মর্মে আশ্বস্ত করা হয়। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এমনকি এই প্রকল্প বাদেও তাঁকে দিয়ে অন্য প্রকল্পের কাজও বিনা পারিশ্রমিকে করানো হয়।

মুস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, ‘এরপর বর্তমান ভিসি ড. আনোয়ার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেন। একপর্যায়ে বলা হয়, আমার প্রাপ্য বেতনের চেয়ে বেশি দেওয়া হয়েছে। পরে তা কেটেও নেওয়া হয়। এবং বলা হয়, চাকরি স্থায়ী হলে তা পুষিয়ে যাবে। প্রকল্প চলাকালে আমার সব শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সার্টিফিকেট পর্যন্ত আটকে রাখা হয়। এই প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে আমার সরকারি চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় গত ২৭ নভেম্বর নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়। কিন্তু আমার প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়নি। পরে ভিসি স্যারের সঙ্গে দেখা করলে তিনি জানান, আমাকে প্রবেশপত্র দেওয়া যাবে না। আমার নাকি এই পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়স নেই।’

মুস্তাফিজুর রহমান নিজেকে ওই পদে অভিজ্ঞ এবং উপযুক্ত প্রার্থী দাবি করে নিয়োগ প্রত্যাশা করেন। অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, এই পদে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দুর্নীতির মাধ্যমে একজনকে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আহসান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে অফিশিয়াল বক্তব্য নিতে হলে প্রকল্পপ্রধানের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এরপর তিনি বলেন, প্রবেশপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে যে শর্তগুলো পূরণ করতে হয় মুস্তাফিজুর রহমানের তা ছিল না।

এ ব্যাপারে এই প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর ড. জিয়াউল আমিন বলেন, ‘নিয়োগের ব্যাপারে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই। আমার সঙ্গে কেন কর্তৃপক্ষ কথা বলতে বলবে? তবে সে তিন বছর কাজ করেছে সে অভিজ্ঞতার সনদ আমি তাঁকে দিয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা