kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্কুলের পাশে সড়ক, পার হতে ভয়

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্কুলের পাশে সড়ক, পার হতে ভয়

নওগাঁর ধামইরহাটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পদচারী সেতু না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের। ছবিটি ককিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে গত বৃহস্পতিবার তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নওগাঁ-ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে স্পিড ব্রেকার ও পদচারী সেতু না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে বেশ কিছু শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শিকারও হয়েছে। তাই এলাকার সচেতনমহল ও শিক্ষার্থীদের পরিবারের পক্ষ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনের সড়কে স্পিড ব্রেকার ও পদচারী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নওগাঁ-ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের ১২ কিলোমিটার রাস্তার পাশে প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ধামইরহাট সরকারি এমএম কলেজ, ধামইরহাট মহিলা কলেজ, ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ধামইরহাট সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চকময়রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিড়লডাঙ্গা নূূরানি মাদরাসা, হরিতকীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, হরিতকীডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোকিল-রুপনারায়ণপুর সম্মিলিত আলিম মাদরাসা, কোকিল প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাহানপুর এসসি উচ্চ বিদ্যালয়, জাহানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মঙ্গলবাড়ী সিরাজিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এ ব্যাপারে কোকিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মহসিনা ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মাহিব হাসান জানায়, তারা অনেক ভয়ে ভয়ে রাস্তা পার হয়। রাস্তায় সব সময় যানবাহন দ্রুত গতিতে চলাচল করে। এখানে গতিরোধক ব্যবস্থা থাকলে তারা একটু নিরাপদ বোধ করত। ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম ও এরশাদুল আলম বলেন, ‘স্কুলের দক্ষিণ পাশে বড় রাস্তা। সেই রাস্তা পার হয়ে সন্তানদের স্কুলে যেতে হয়। তাই অভিভাবক হিসেবে সব সময় ভয়ে থাকতে হয়।’ কোকিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আকতার বলেন, ‘এরই মধ্যে আমাদের এক শিক্ষার্থী বাসচাপায় মারা গেছে। অন্য এক শিক্ষার্থী পা হারিয়েছে। আমার বিদ্যালয়টি আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন। সড়কের দক্ষিণ এলাকার শিক্ষার্থীরা সড়ক পার হয়ে স্কুলে আসতে চায় না।’

চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল-ই-রব্বানী জানান, উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হামিদুল হক বলেন, ‘যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিড ব্রেকার নির্মাণের প্রয়োজন হয়, তবে জেলা প্রশাসক বরাবর ওই প্রতিষ্ঠানকে আবেদন করতে হবে। আবেদন গৃহীত হলে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা