kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

গুরুদাসপুর

নিষিদ্ধ পলিথিনের অবাধ ব্যবহার

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজার থেকে শুরু করে গ্রামের ভেতর ছোট ছোট মুদি দোকানে দিন দিন বেড়েই চলেছে পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম উপাদান নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার। কোনোভাবেই এর লাগাম টানা যাচ্ছে না। ক্ষতিকর পলিথিন ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের সামনেই চলছে এসব পলিথিন বিক্রি।

বিভিন্ন শপিং মল, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংসসহ যেকোনো দোকানে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করলেই দেওয়া হচ্ছে পলিথিন। ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেওয়া হয় এসব পলিথিন। এর ফলে মাটি হারাচ্ছে উর্বরতা। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা। দূষিত হচ্ছে বিশুদ্ধ বায়ুপ্রবাহ এবং সেই সঙ্গে দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের রোগবালাই। স্বল্প পুঁজিতে বেশি মুনাফা লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জড়িয়ে পড়েছে পলিথিন বাণিজ্যে।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৯৮২ সালের দিকে পলিথিনের ব্যবহার শুরু হয়। সহজে বহনযোগ্য ও স্বল্পমূল্যের কারণে পলিথিন ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু ক্রমে পরিবেশের ওপর মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে এ বিষাক্ত পলিথিন। বিশেষ করে কৃষিজমি, খাল-বিল, নদী-নালা ও পুকুরে ফেলে রাখা পলিথিন জমা হওয়ার ফলে এসব স্থানে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়। যার কারণে মশা-মাছির প্রজনন বৃদ্ধিসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় প্রদর্শন, বিতরণ, মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর।

স্থানীয়রা জানায়, এক কেজি পলিথিন ব্যাগের দাম ১৮০ টাকা। থাকে ২৫০টি ব্যাগ। অথচ নেটের ব্যাগের দাম এর থেকে দু-তিন গুণ কম।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন বলেন, ‘শিগগিরই পলিথিন ব্যবহার রোধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা