kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

বাঘায় থামছেই না পুকুর খনন

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীর বাঘায় পুকুর খনন যেন থামছেই না। উপজেলা প্রশাসন একদিকে বন্ধ করলে অন্যদিকে এ খননকাজ করেন প্রভাবশালীরা। এতে এলাকার আবাদি জমির পরিমাণ কমার সঙ্গে সঙ্গে জলবদ্ধতারও সৃষ্টি হচ্ছে।

জানা যায়, উপজেলার ফতেপুর গ্রামে পুকুর খননের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন উত্তর ফতেপুর বাউসা গ্রামের আব্দুল মালেক ও টেনুু প্রামাণিক। স্থানীয়রা পুকুর খননের বিষয়ে অভিযোগ দিলে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়। কিন্তু উপজেলার মনিগ্রাম মাদরাসার পেছনে সামসুল হকের ছেলে আলাউদ্দিন আবার তাঁর আবাদি জমিতে পুকুর খননের কাজ চালান। ফতেপুর গ্রামের মফিজুল ইসলাম জানান, মাঠে তিন-চার একর জমিতে পুকুর খনন করা হলে, ফতেপুর বাউসা, মাঝপাড়া বাউসা, পীরগাছা গ্রামসহ পাশের গ্রামের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। জলাবদ্ধতার কারণে গ্রামের অনেক বাড়ি পানিতে ডুবে যাবে। মাঠের আবাদি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে।

মনিগ্রামের মোহাম্মদ দোয়েল বলেন, ‘একদিকে প্রশাসন পুকুর খনন বন্ধ করে, অন্যদিকে আরেকজন শুরু করে।’ ফতেপুর গ্রামের পুকুর খননকারী আব্দুল মালেক বলেন, ‘নিজের জমিতে পুকুর খনন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় তা বন্ধ রেখেছি।’ মনিগ্রামে পুকুর খননকারী ইকবাল হোসেন বলেন, ‘প্রশাসনকে জানিয়ে পুকুর খনন করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে ফতেপুরে পুকুর খননকারীদের ডেকে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে মনিগ্রামে পুকুর খননের বিষয়ে জানা নেই। যদি কেউ অনুমতি না নিয়ে পুকুর খনন করে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা