kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

আলমডাঙ্গায় ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প

কম শ্রমিকে কাজ করিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে নির্ধারিত শ্রমিকের স্থানে অর্ধেকেরও কম শ্রমিকের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প কর্মকর্তা উপজেলার কয়েকটি কর্মসৃজন প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শনকালে এমন হতাশাব্যঞ্জকচিত্র দেখতে পান।

জানা গেছে, গত ১২ নভেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে একযোগে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের কয়েকটি কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ সরেজমিন পরিদর্শন করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন ও নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন আলী। সঙ্গে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক ও অফিস সহকারী আব্দুল লতিফ। তাঁরা ১২ নভেম্বর সকালে উপস্থিত হন উপজেলার ডাউকী ইউনিয়নের বাদেমাজু গ্রামে। সেখানে তাইজাল হোসেনের বাড়ি থেকে জিকে খাল পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট প্রকল্পে ২৮ জনের মধ্যে ১৩ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে। বক্সীপুর কবরস্থানে আগাছা পরিষ্কার ও মাটি ভরাটকাজে ২৫ জনের মধ্যে অর্ধেকেরও কম শ্রমিককে দেখা গেছে। কুমারী ইউনিয়নের শ্যামপুর সেতু থেকে মাঠে যাওয়ার রাস্তায় মাটি ভরাট প্রকল্পে ২৮ জনের পরিবর্তে অর্ধেক শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে। ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পাশের রাস্তায় মাটি ভরাট প্রকল্পে ২৫ জনের পরিবর্তে একজন শ্রমিকও কাজ করেনি। এ ছাড়া দুর্লভপুর গ্রামের একটি রাস্তায় মাটি ভরাটকাজে ২৫ জনের মধ্যে ২০ জন কাজ করেছে। বধ্যভূমির আগাছা পরিষ্কার ও মাটি ভরাট প্রকল্পে ২৫ জন শ্রমিকের কাজ করার বাধ্যবাধকতা ছিল। অভিযোগ উঠেছে, পরিদর্শনকালে সেখানে মাত্র পাঁচজন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, বধ্যভূমিতে পাঁচজন নয়, ৯ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে। তিনি ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পাশের রাস্তায় যেতে পারেননি। তবে মোবাইল ফোনে জেনেছেন, সেখানে প্রথম দিন একজনও কাজ করেনি।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘কাজ না করে টাকা উত্তোলনের সুযোগ নেই। যে প্রকল্পে যে কয়জনকে কাজ করতে দেখা গেছে, শুধু তাদের পেমেন্ট করা হবে।’

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে ফোন করে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা