kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

ধুনটে নির্মাণাধীন সড়কে বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বগুড়ার ধুনট উপজেলা সদরের বেলকুচি গ্রামে নির্মাণাধীন সরকারি সড়কের মাঝ বরাবর অবৈধভাবে বাঁশের তৈরি দুটি বেড়া দিয়ে যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতাসহ সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন হাসান আলী ও তাঁর ভাই আব্দুস ছালাম। এ অবৈধ বেড়া অপসারণের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার আবেদন করে এলেও উপজেলা প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেলকুচি গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে প্রায় শত বছর ধরে এলাকার শতাধিক গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বেলকুচি গ্রামে ওই সড়কের এক হাজার মিটার অংশ পাকাকরণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে ৭১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

গত ১২ মার্চ দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ইসলাম এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদার ২৩ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করে ৯৫০ মিটার অংশ পাকা করেছেন। কিন্তু অবশিষ্ট ৫০ মিটার অংশে কাজ করতে বেলকুচি গ্রামের হাসান আলী ও আব্দুস সালাম বাধা দিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে মুকুল সরকার, আব্দুস সালাম ও হাসান আলীর বসতবাড়ি। মাঝখান দিয়ে ১৭ ফুট প্রস্থের সড়কটি। সেই সড়কে হাসান ও ছালাম প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আড়াআড়িভাবে বাঁশের তৈরি দুটি বেড়া দিয়ে এলাকাবাসীর যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছেন। এ অবস্থায় সড়ক পাকাকরণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে ওই সড়কে পথচারীসহ সব রকম যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে হাসান আলী বলেন, ‘সরকারি রাস্তার জায়গা বাদ দিয়ে তার জায়গার ওপর দিয়ে সড়ক নির্মাণের প্রস্তুতি চলছিল। তাই ওই রাস্তায় যাতায়াত বন্ধ হলেও বাধ্য হয়ে বেড়া দিয়েছি। তবে সঠিক মাপজোকের মাধ্যমে সড়ক নির্মাণ করা হলে আমার কোনো আপত্তি নেই।’ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের বাধার মুখে ৫০ মিটার সড়ক পাকাকরণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি সহযোগিতা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।’ ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘উপজেলা প্রকৌশলীর একটি অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহযোগিতা না চাওয়ায় কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অবৈধ বেড়া অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা