kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

বিএমডিএর খালে হাসি ফুটেছে দেড় লাখ কৃষকের মুখে

নওগাঁ প্রতিনিধি   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএমডিএর খালে হাসি ফুটেছে দেড় লাখ কৃষকের মুখে

নওগাঁর সদর উপজেলার মাখনাকোমলগোটা এলাকায় বিএমডিএ খাল খনন করার পর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) খাল খনন করায় আবাদের আওতায় এসেছে ১৬ হাজার হেক্টরেরও বেশি পতিত জমি। বেড়েছে ধান উৎপাদন। এ কারণে নওগাঁর ছয় উপজেলার প্রায় দেড় লাখের বেশি কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, ‘নওগাঁ জেলার জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প’ নামের প্রকল্পটি শুরু হয় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে। প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ সদর, মান্দা, রানীনগর, আত্রাই, পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার ভেতর দিয়ে প্রায় ৯৩ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রকল্পটি শেষ হয়। এ কারণে বছরপ্রতি ধান, রবি শস্যসহ চার লাখ টনের বেশি অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

নওগাঁ সদর উপজেলার মাখনাকোমলগোটা এলাকার কৃষক আফজাল শাহ জানান, খাল না থাকায় আগে বন্যার পানি জমিতে উঠে যেত। তখন ধান লাগাতে দুই থেকে তিন মাস দেরি হতো। সে কারণে ধান কাটার আগেই আবার বন্যার পানি চলে আসত। এখন সময় মতো ফসল ঘরে তোলা যাচ্ছে।

মান্দা উপজেলার গড়িয়াচান এলাকার ইনছের আলী মাস্টার জানান, খাল খননের  ফলে প্রতি হেক্টরে আগে যেখানে ধান হতো ৬০ থেকে ৭০ মণ। সেখানে এখন ১০০ থেকে ১১০ মণ ধান হচ্ছে বলে তিনি জানান।

প্রকল্প পরিচালক ও বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী এ টি এম মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর বছরে প্রায় ২৩০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন হচ্ছে। সবজি চাষ ও হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে এই উদ্যোগ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা