kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওষুধ সংকটে জলঢাকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারীর জলঢাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে চলছে শিশুদের নানা রোগের ওষুধ সংকট। ওষুধ সরবরাহ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার ১৯৯৮ সালে প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় জলঢাকায় ৪২টি ক্লিনিক নির্মিত হয়।

সরেজমিনে উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের রঙের বাজার, বালাগ্রাম ইউনিয়নের ঢুকঢুকিহাট ও পৌরসভার দুন্দিবাড়ী ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, রঞ্জিত (৫), বলরাম (৭), মায়া (৪), পলাশ (৬) ও নিশি রানী (৭) জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট রোগ নিয়ে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএসসিপি) কাছে তাদের প্রত্যেকের মা রোগের কথা বলছেন। তাঁদের কথা শুনে দায়িত্বরত সিএসসিপিরা ওষুধ সরবরাহ না থাকার কথা বলে বাইরে থেকে কিনে খেতে পরামর্শ দিচ্ছেন। এ সময় রঞ্জিতের মা রঞ্জিতা ও পলাশের মা পারুল বলেন, ‘বাচ্চাদের এমন অসুখ নিয়ে সারারাত নির্ঘুম কেটেছে। অনেক আশা নিয়ে ক্লিনিকে এলাম। এখন তারা বলছে ওষুধ নাই।’

কাঁঠালী রঙের বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএসসিপি পরিতোষ রায় বলেন, ‘আমাকে সেপ্টেম্বর মাসে কিডস বক্স দেওয়া হয়েছিল। তাতে শিশুদের যেসব ওষুধ ছিল তা গত মাসেই শেষ হয়েছে। এখন শিশুদের ওষুধ না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।’ ঢুকঢুকিহাট কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএসসিপি শাপলা বলেন, ‘আগে আমাদের একটি কিডস বক্স বা কার্টুন এক মাসের জন্য দেওয়া হতো। এখন একটি কিডস বক্স দিয়ে তিন মাস চালাতে হয়। তাই অনেক সময় শিশুদের সিরাপ, সাসপেনশন ও অ্যান্টিবায়োটিক পাউডারগুলো ভেঙে রোগী শিশুদের মধ্যে বিতরণ করি। এর পরেও ওষুধ সংকট। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।’

অন্যদিকে দুন্দিবাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএসসিপি আইরিন আক্তার বলেন, ‘আমাদের ৩১ প্রকার ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও ২৮টি সরবরাহ পাই। এর মধ্যে অ্যালবেনডাজল সিরাপ, ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট ও ডক্সিসাইক্লিন ক্যাপসুল পাই না।’ এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, ‘কমিউনিটি বেসড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) সময়মতো ওষুধ সরবরাহ না করায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সংকট লেগেছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা