kalerkantho

শুক্রবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৭। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ২৯ মহররম ১৪৪২

নড়িয়ায় যৌতুকের দায়ে বধূকে হত্যার অভিযোগ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শরীয়তপুরের নড়িয়ায় যৌতুকের টাকার জন্য সুমাইয়া আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। গত ১৫ নভেম্বর রাতে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা কেদারপুর ইউনিয়নের পাঁচগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নড়িয়া থানা পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে সুমাইয়ার পরিবার। পরে মঙ্গলবার সুমাইয়ার মা বাদী হয়ে শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেছেন।

তবে সুমাইয়ার স্বামীর পরিবারের দাবি, সুমাইয়া আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

মামলার বিবরণী ও নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামের আব্দুর রব শেখের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের দুলাল মাদবরের ছেলে ইতালিপ্রবাসী জুলহাস মাদবরের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরে জুলহাস সুমাইয়াকে তাঁর বাবার বাড়ি থেকে ১০ লাখ টাকা যৌতুক আনতে বলেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে স্বামী ও তাঁর পরিবারের লোকজন সুমাইয়াকে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার শুরু করে। গত ১৫ নভেম্বর রাতে সুমাইয়াকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে বেঁধে হত্যার চেষ্টা করে। তখন তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করলে ১৬ নভেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমাইয়ার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সুমাইয়ার মা মাফিয়া বেগম বাদী হয়ে সুমাইয়ার স্বামী জুলহাস মাদবর, শ্বশুর দুলাল মাদবর, শাশুড়ি সেলিনা বেগম, ননদ আলো বেগমসহ ৯ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নড়িয়া থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। নড়িয়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা