kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

গোপালগঞ্জে সড়ক দেবে ঝুঁকিতে খাদ্যগুদামের পাঁচ ভবন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপালগঞ্জে সড়ক দেবে ঝুঁকিতে খাদ্যগুদামের পাঁচ ভবন

গোপালগঞ্জে পাচুড়িয়া-মোহাম্মাদপাড়া সড়কের পাচুড়িয়া খাদ্যগুদামের সামনের অংশ দেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জ জেলা সদরের পাচুড়িয়া-মোহাম্মাদপাড়া সড়কের পাচুড়িয়া খাদ্যগুদামের সামনের অংশ হঠাৎ দেবে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই সড়কে চলাচলকারী সাধারণ লোকজন। সেই সঙ্গে ঝুঁকির মুখে পড়েছে পাচুড়িয়া খাদ্যগুদামের পাঁচটি ভবন। ওই স্থানের পাশেই পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণের জন্য পাইলিং করায় নিচের স্তরের বালু সরে রাস্তা দেবে গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

গোপালগঞ্জ খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট মহলে চিঠি দিলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এ নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

পাচুড়িয়া-মোহাম্মাদপাড়া সড়কের পাচুড়িয়া খাদ্যগুদামের সামনের অংশ দু-তিন দিন আগে হঠাৎ করেই দেবে যায়।  গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের চেয়ে আরো চার ফুট দেবে গেছে। এতে খাদ্যগুদামের মাল পরিবহনের জন্য কোনো ট্রাক ঢুকতে পারছে না। ওই সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় লোকজনও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। চরম ঝুঁকিতে রয়েছে খাদ্যগুদামের পাঁচটি ভবন। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে খাদ্যগুদামের হাজার হাজার টন ধান, চাল, গমসহ ভবনগুলো হেলে পড়ে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমীনুল ইসলাম বরকত বলেন, ‘কয়েক দিন আগে হঠাৎ করে খাদ্যগুদামের সামনের এ রাস্তা বাউন্ডারি ওয়ালসহ প্রায় দুই ফুট দেবে গেছে। খাদ্যগুদাম থেকে মালামাল পরিবহনের কোনো ট্রাক ভেতরে ঢুকতে পারছে না। এ কারণে আমাদের খাদ্যগুদামের ভবনগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি মেরামত করা প্রয়োজন।’

গোপালগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী অবিনাশ সরকার বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। তবে পৌর মার্কেটের পাইলিংয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই।’ গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, ‘পাচুড়িয়া খাদ্যগুদামের সামনের রাস্তার পাচুড়িয়া খালপাড়ের বেশ কিছু অংশ দেবে গেছে। সদর উপজেলা ইউএনওকে দিয়ে এ বিষয়ে আমি খোঁজ নিয়েছি। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সড়ক বিভাগের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা পৌরসভার সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা