kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

সিংড়ায় বানার বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

নাটোর প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিংড়ায় বানার বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

চলনবিলের তাড়াশ-বারুহাস ডুবন্ত সড়কের সিংড়ার মাগুড়া বিলজুড়ে বানার বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন গ্রাম পুলিশ ফজলুর রহমান। ছবি : কালের কণ্ঠ

নাটোরের সিংড়ায় বাঁশের তৈরি বানার বাঁধ দিয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা মসজিদের নামে বিলের বিভিন্ন এলাকা ইজারা দিয়ে মাছ শিকারের ব্যবস্থা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চলনবিলের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে।

চলনবিল ঘুরে দেখা যায়, তাড়াশ-বারুহাস ডুবন্ত সড়কের উপজেলার ডাহিয়া এলাকায় বানার বাঁধ দিয়ে ছোট-বড় মাছসহ কাঁকড়া, শামুকের মতো বিভিন্ন জলজ প্রাণী নিধন করা হচ্ছে। বিলের প্রায় দুই কিলোমিটার বাঁধ দিয়ে ঘেরা।

জানা গেছে, ডাহিয়া মৎস্যজীবী বড় জামে মসজিদে টাকা দিয়ে কয়েকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী এ ব্যবসা করছেন। আওয়ামী লীগের কর্মী শাহিন, জিল্লুর, উপহার ও শবিজুল এর নেতৃত্বে রয়েছেন। ডুবন্ত সড়ক থেকে তিশিখালী মাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বানার বাঁধ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মাগুড়া বিলে দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বানার বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ফজলুর রহমান ও তাঁর ছেলে শফিকুল ইসলাম। এলাকাবাসী আরো জানায়, নাটোরের সিংড়ার বেশির ভাগ এলাকা চলনবিলবেষ্টিত ও মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত। কিন্তু নির্বিচারে মাছ, জীববৈচিত্র্য নিধনের ফলে এই বিলের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। তা ছাড়া সাতপুকুরিয়ার তিশিখালী মাজারের পাশে সুতিজাল দিয়ে মাছ শিকার করছেন হিজলী গ্রামের আওয়ামী লীগের কর্মী সোহরাব খাঁ, মুসলেম খাঁ ও ওয়াজেশ খাঁ।

এ বিষয়ে ডাহিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ ফজলুর রহমান বলেন, ‘সরকার যখন নিষেধ করেছিল, তখন আমরা মাছ মারিনি। এখন সরকার বিল উন্মুক্ত করে দিয়েছে। তাই মাছ মারছি।’

সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার বলেন, ‘চলনবিলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। আর প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা