kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

সিডরে নিহতদের স্মরণ করল স্বজনরা

বরগুনা ও গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিডরে নিহতদের স্মরণ করল স্বজনরা

২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ২৭ জন প্রাণ হারান। নিহতদের স্মরণে গতকাল কবরের পাশে স্বজনরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন আবার নতুন করে গড়ার চেষ্টায় ব্যস্ত ২০০৭ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। এক যুগ হয়ে গেলেও সিডরের তাণ্ডবের কথা ভুলতে পারেননি উপকূলীয় গলাচিপার কাঞ্চনবাড়িয়া গ্রামের প্রাণ হারানো ২৭ জনের স্বজনরা। তাই প্রতিবছর ১৫ নভেম্বর তাঁরা দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও গতকাল শুক্রবার হাওলাদার বাড়ি মসজিদে দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন গ্রামবাসী।

গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নের ২৭ জন সেদিনের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে প্রাণ হারান। এখনো ঝড়ের সেই ক্ষত ঘোচেনি। পুরনো স্মৃতি ভুলে নতুন করে সংসার শুরু করেছেন অনেকেই। কিন্তু নতুন সংসার করলেও পুরনো স্মৃতি বারবার ফিরে আসে। তখন যেন সব কিছু ফিকে হয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে কাঞ্চনবাড়িয়া গ্রামের সমাজসেবক মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘অভাবের কারণে এলাকায় কোনো কাজ না পেয়ে অনেকেই এখন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলে গেছে। এ এলাকার বেশির ভাগ মানুষ এখন আর সাগরে মাছ ধরতে তেমন একটা যেতে চায় না।’

এদিকে বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় সিডরে নিহত, আহত ও নিখোঁজদের স্মরণ করে সিডর দিবস উপলক্ষে গতকাল সকাল ৯টায় প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে একটি শোকযাত্রা বের করা হয়। শোকযাত্রায় বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ, সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সব শেষে গর্জনবুনিয়া গণকবরে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিবসটি বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে বরগুনা জেলা প্রশাসন ও প্রেস ক্লাব আয়োজন করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা