kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

নন্দীগ্রাম

হাজিরা যন্ত্র না কিনেই ভাউচার!

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ক্রয় নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে এ মেশিন কেনার কথা থাকলেও তা কেনা হয়নি। তবে কাগজে-কলমে এ বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ১০৫টি বিদ্যালয়ে মেরামত, সংস্কার ও বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার জন্য বরাদ্দ হয় ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ বরাদ্দ থেকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে না হলেও কাগজে-কলমে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাজিরা মেশিন কেনা দেখানো হয়েছে।

হাজিরা মেশিন ক্রয়সংক্রান্ত যে ভাউচার এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে, তাতে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে ২০ হাজার আবার কোনোটিতে ১৪ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেরামত-সংস্কার করা হলেও এ মেশিন লাগানো হয়নি।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। জুনের মধ্যে এসব বিদ্যালয়ের জন্য হাজিরা মেশিন ক্রয় সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা ক্রয় করতে ব্যর্থ হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। তবে হাজিরা মেশিন না কিনে এ খাতে খরচ দেখান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসকান আলী জানান, বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনা হয়নি।

কল্যাণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার জন্য ১৫ হাজার টাকা স্কুলের সভাপতির কাছে রাখা হয়েছে।

মারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান জানান, এখনো তা কেনা হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, যেসব বিদ্যালয় বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনেনি, তাদের মেশিন কেনার নির্দেশ দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা