kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

চাটমোহরে প্রসূতির মৃত্যু

সহযোগীসহ কথিত চিকিৎসক আটক

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সহযোগীসহ কথিত চিকিৎসক আটক

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একটি ক্লিনিকে সিজার করার সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে রক্তক্ষরণ থামাতে না পেরে ওই প্রসূতিকে ফেলে রেখে পালানোর সময় সহযোগীসহ কথিত চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। গত সোমবার রাতে সদরের ইসলামিক হাসপাতাল নামের ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাসলিমা খাতুন উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগারা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের কৃষক মজনুর রহমানের মেয়ে। তবে প্রসূতির জন্ম দেওয়া মেয়েশিশুটি এখনো বেঁচে আছে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন জানায়, গত সোমবার দুপুরে গৃহবধূ তাসলিমার প্রসব বেদনা শুরু হলে ইসলামিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যার পর কথিত চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেন নিবিড় তাঁর অপারেশন শুরু করেন। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে রোগীকে ওটিতে রেখে তাঁরা পালিয়ে যান। এ সময় স্বজনদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে ভুয়া চিকিৎসক নিবিড় ও তাঁর সহযোগী আসাদুজ্জামানকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

জানা গেছে, ভুয়া চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেন নিবিড় পাশের নাটোরের বনপাড়ায় একটি ক্লিনিক পরিচালনা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তা ছাড়া ক্লিনিক মালিক বাবলু হোসেনসহ সব স্টাফ পালিয়ে যান। রাত ৯টার দিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাসলিমা খাতুনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. স ম বায়েজিদ-উল ইসলাম বলেন, সংকটাপন্ন অবস্থায় প্রসূতিকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

চাটমোহর থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, কথিত চিকিৎসক ও তাঁর সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। ক্লিনিক মালিককে আটকের চেষ্টা চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা