kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

আত্রাইয়ে হাসপাতালের যন্ত্রপাতিসহ ঠিকাদার আটক, পরে মুক্তি

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গোডাউন থেকে পুরনো আসবাব, যন্ত্রপাতিসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল গোপনে পাচারের সময় স্থানীয় জনতা জগন্নাথ দে নামের এক ঠিকাদারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তবে পুলিশ আটক ঠিকাদারকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি মালামাল আবারও হাসপাতালের গোডাউনে ফেরত দিয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, গত রবিবার সরকারি ছুটির দিন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গোডাউন থেকে বিনা টেন্ডারে মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর উপজেলার জগন্নাথ দে নামের এক ঠিকাদার পিকআপ ভ্যান ও ট্রলিতে মালামাল ওঠানোর সময় স্থানীয়রা টের পায়। এ সময় জনগণ ঠিকাদার জগন্নাথের মালামাল ক্রয়ের কাগজপত্র দেখতে চায়। তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আত্রাই থানার পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে মালামালবোঝাই দুটি ট্রাক আটক করে ঠিকাদার জগন্নাথকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। এর সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মোর্শেদ মনিরুজ্জামানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মোর্শেদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন অফিসে টেন্ডার হয়েছে। সিভিল সার্জন মোবাইল ফোনে আমাকে জানান, টেন্ডারের কাগজপত্র পরে পাঠানো হবে। তাই আমি মৌখিক নির্দেশনা মতে ঠিকাদারকে লিস্ট অনুসারে মালামাল দিয়েছি। টেন্ডার বিষয়ে এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই।’

আত্রাই থানার ওসি মো. মোসলেম উদ্দিন জানান, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে মালামালসহ দুটি ট্রাক আটক করা হয়। ঠিকাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক মালামাল হাসপাতালে ফেরত পাঠানো হয়।

নওগাঁ সিভিল সার্জন মমিনুল হক বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুসারে টেন্ডারটি এখনো সম্পন্ন করা হয়নি। এর পরও কেন এমন হলো, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা