kalerkantho

শুক্রবার । ৮ মাঘ ১৪২৭। ২২ জানুয়ারি ২০২১। ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

লোহাগড়া থানায় নির্যাতন

ব্যবসায়ীর বক্তব্য শুনলেন কর্মকর্তা

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি   

১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যবসায়ীর বক্তব্য শুনলেন কর্মকর্তা

নির্যাতনের শিকার শিহাব

নড়াইলের লোহাগড়া থানায় আসামিকে নির্যাতনের তদন্ত করছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। তদন্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে বাদীসহ দুই ভাই মিলে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে ওই ব্যবসায়ীকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ ও অভিযোগকারী সূত্রে জানা গেছে, থানা ভবনের দোতলায় ব্যবসায়ী শিহাব মল্লিককে (২৭) নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার কালের কণ্ঠে ‘লোহাগড়া থানায় বাদী চোখ বেঁধে নির্যাতন করলেন বিবাদীকে’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। একই খবর অন্যান্য গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। এরপর নড়াইলের পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিনের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ লোহাগড়া হাসপাতালে যায়। তারা শিহাবের সঙ্গে কথা বলে।

নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান বলেন, ‘হাসপাতালে গিয়ে শিহাবের সঙ্গে কথা বলেছি। দফায় দফায় প্রশ্ন করেছি। সে যে অভিযোগ করছে, তার ভিডিও ফুটেজ বা প্রমাণ এখনো পাইনি। সে জেলখানায় থাকাকালে কোনো অভিযোগ করেনি।’

তবে শিহাব বলেন, ‘আমি থানায় ৩ নভেম্বর রাতে মাদক মামলার আসামি পাচুড়িয়া গ্রামের ইউসুফের সঙ্গে এক রুমে ছিলাম। পুলিশ ৪ নভেম্বর সকালে মাদক মামলার আরেক আসামি কবিরকে নিয়ে আসে। ইউসুফ ও কবির নির্যাতনের ঘটনা জানে। আমি জেলখানাতে নির্যাতনের কথা ভয়ে বড় অফিসারদের বলিনি। কিন্তু ছোট অফিসার বা পুলিশদের তো বলেছিলাম।’ তিনি আরো বলেন, ‘শনিবার পুলিশের বড় অফিসার হাসপাতালে এসে আমার কাছে নির্যাতনের ঘটনা বারবার শুনেছেন। আমি বারবারই একই উত্তর দিয়েছি। আমি বলেছি—স্যার, আমি মিথ্যা বললে আমাকে গ্রেপ্তার করেন আপত্তি নেই। তবে সত্যি সত্যিই আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।’ শিহাব একপর্যায়ে বলেন, ‘আমাকে মারতে মারতে যখন দারোগা থেমে গিয়েছিল, তখন বাদী ও তার ভাই আরো মারতে বলছিল। দারোগা তাদের দুই ভাইকে বলেছিল, বেশি মারলে সমস্যা হতে পারে। তখন খায়রুল মল্লিক দারোগাকে বলে, আমার বাড়ি গোপালগঞ্জ। মারেন সমস্যা নাই। আমি দেখবানি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা