kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিয়ানীবাজার আ. লীগের সম্মেলন

সভাপতি-সম্পাদক পদে সিলেকশন নাকি ইলেকশন?

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দীর্ঘ ১৭ বছর পর সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৪ নভেম্বর ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব নির্বাচন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে কোন পদ্ধতিতে উপজেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্ধারণ করা হবে—তা নিয়ে সন্দিহান দলীয় নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হতে আগ্রহী প্রার্থীদের মধ্যেও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দফায়-দফায় বৈঠক করে শক্তি ও জনবল বৃদ্ধির কৌশল নির্ধারণ করছেন তাঁরা।

অবশ্য কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা তৃণমূলের নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করলেও বিশেষ ক্ষেত্রে সিলেকশন প্রক্রিয়ায়ও নেতা মনোনীত করার রেওয়াজ চালু আছে। বিয়ানীবাজারেও আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করতে ‘ইলেকশন নাকি সিলেকশনে’ নির্ধারণ করা হবে—সে প্রশ্নই এখন সবার মুখে মুখে।

এদিকে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা। নিজ নির্বাচনী এলাকায় উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে কেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের নেতারা তাঁর মতামতকেও গুরুত্ব দেবেন বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে কাউন্সিলে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ-অবিশ্বাস ক্রমেই বাড়ছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সূত্রে জানা যায়, দলের কাউন্সিলর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অনেক ইউনিয়নে কোন্দল বেড়েছে। লাউতায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় কাউন্সিলর তালিকা নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। শেওলায় পাল্টাপাল্টি কমিটি থাকায় নতুন করে কাউন্সিলর তালিকা প্রণয়নের লিখিত দাবি জানিয়েছেন একাংশের সভাপতি ছালিক আহমদ খান। কয়েক মাস ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাছিব মনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খানের মধ্যকার প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব এখন সবার জানা।

নেতাকর্মীরা জানান, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আব্দুল হাছিব মনিয়া, আতাউর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক পদে হারুনুর রশীদ দীপু, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, আব্দুস শুকুর, আবুল কাশেম পল্লব, জামাল হোসেন কাউন্সিলরদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, কাউন্সিল ছাড়া নেতৃত্ব নির্বাচনের আর কোনো সুযোগ নেই।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারী ও বিদ্রোহীদের ক্ষেত্রে আমরা সতর্ক থাকব। ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কাউন্সিলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা