kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

নরসিংদী সরকারি কলেজ

অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা

ক্ষমতার অপব্যবহার, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, দুর্নীতিসহ ১১ অভিযোগ
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে

নরসিংদী প্রতিনিধি   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, দুর্নীতিসহ ১১টি অভিযোগ তুলেছেন কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ নিয়ে গত শনিবার শিক্ষক পরিষদ জরুরি তলবি সভা করে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে এসবের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। এ অবস্থায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদী সরকারি কলেজে ১৯৭৪ সাল থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন ১১০ জন বিসিএসধারী শিক্ষক। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান আকন্দ ও উপাধ্যক্ষ জাহান আরা বেগম। হাবিবুর রহমান আকন্দ গত ৩০ জুন অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর পরই তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমালোচিত হতে থাকেন। এসব ঘটনা নিয়ে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের সঙ্গে একাধিকবার শিক্ষক পরিষদের বৈঠক হয়। বৈঠকে শিক্ষকরা অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। গত ১৯ অক্টোবর জরুরি তলবি সভা ডেকে কলেজের ১১০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৮২ জন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানান। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানান।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সব সময় খারাপ আচরণ করেন। যোগদানের পর থেকে অধ্যক্ষ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার গুরুত্ব বৃদ্ধির নামে যে নীতিমালা করেছেন, তাতে কলেজের অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের পথে। তা ছাড়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাবিব উল আলম বলেন, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের কর্মকাণ্ডে আমরা শিক্ষকরা হতাশ ও মর্মাহত। তাঁদের কারণে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিতে একপ্রকার অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা দ্রুত এই অবস্থার অবসান চাই।’

অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান আকন্দের মোবাইলে ফোন করলেও রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা