kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

বিশ্বম্ভরপুরে চিকিৎসকের কান ফাটালেন চেয়ারম্যানপুত্র

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পলাশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের ছেলের চড়-থাপ্পড়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তার বাম কানের পর্দা ফেটে গেছে বলে অভিযোগ। গত সোমবারের এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম ও তাঁর ছেলে অভিযুক্ত সাইদুর রহমান রাজীবকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

মামলার পর পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে দোষীদের শাস্তির দাবিতে সকালে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। এ ছাড়া দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জেলা বিএমএ।

জানা যায়, পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুম সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনজেকশন দিতে যান। এ সময় ডা. আকন্দ তাঁকে ব্যবস্থাপত্র দেখাতে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে রাজীবও তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পরে তাঁর মোবাইলে থাকা ব্যবস্থাপত্র ডা. আকন্দকে দেখান। এ সময় বাবা-ছেলেকে ইনজেকশন নিয়ে এসে নার্সদের মাধ্যমে দেওয়ার অনুরোধ করেন ডা. আকন্দ। সেখান থেকে চলে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পর রাজীব সদলবলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে ডা. আকন্দের কলার চেপে ধরে তাঁকে চড়-থাপ্পড় দিতে থাকেন। এতে তাঁর বাম কানের পর্দা ফেটে যায়। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যরা এগিয়ে এলে তাদেরও হুমকি-ধমকি দিয়ে বেরিয়ে যান রাজীব। এ ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুম ও তাঁর ছেলে রাজীবকে আসামি করে মামলা করেন আহত ডা. আকন্দ। পরদিন দুপুরে পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে। ডা. আকন্দকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা