kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফরিদপুরের ভাঙ্গা

দুই ঘণ্টা ধরে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই ঘণ্টা ধরে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬০

হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহতদের কয়েকজন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার ভোর ৬টার দিকে শুরু হয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া জানান, আহত ৬০ জনের মধ্যে ৩৭ জন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। গুরুতর আহত আটজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘারুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান ওরফে নয়নের সঙ্গে ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবু তারা মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ঘারুয়া ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের কুমারখালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ। এর আগেও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে গ্রামের মাদরাসার মাঠে কিশোরদের ক্রিকেট খেলা নিয়ে বচসা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সারা রাত দুই পক্ষ ঢাল, সড়কি, ইটসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। গতকাল ভোর ৬টার দিকে ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার পর দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দফায় দফায় অন্তত দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয় এ সংঘর্ষ। এ সংঘর্ষে দুই পক্ষের ৬০ জন আহত হয়। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিখিল অধিকারী বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ দেয়নি বলে জানান তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা