kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কালো ধোঁয়া শোধনের যন্ত্র আবিষ্কার

আলী আক্কাছ, গুরুদাসপুর (নাটোর)   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কালো ধোঁয়া শোধনের যন্ত্র আবিষ্কার

নাটোরের গুরুদাসপুরে আবিষ্কৃত যন্ত্রের সঙ্গে সপরিবারে রুবেল আহমেদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে বায়ুদূষণের মধ্যে বসবাস করে। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রতি বছর অনেক লোক মারা যায়। গত ৪ এপ্রিল ‘স্টেট অব গ্লোবাল এয়ারে’র একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। আর এই বায়ুদূষণ রোধ করতে ইটভাটা ও কলকারখানার নির্গত কালো ধোঁয়া শোধনের জন্য যন্ত্র আবিষ্কার করলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উদবাড়িয়া গ্রামের কৃষক খবির উদ্দিনের ছেলে রুবেল আহমেদ (২৭)। গত ছয় বছর ধরে গবেষণা করে এ যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তিনি।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষার জন্য কাচ দিয়ে তৈরি করা দূষিত কালো ধোঁয়া শোধনের যন্ত্রটি আবিষ্কার করতে রুবেলের ব্যয় হয়েছে মাত্র আড়াই হাজার টাকা। এ যন্ত্র ব্যবহার করলে ইটভাটা কিংবা কলকারখানা কর্তৃপক্ষকে অতীতের মতো দূষিত কালো ধোঁয়া আর ওপরের দিকে নির্গত করতে হবে না। ভাটার ক্ষেত্রে পাশেই মাটির নিচে একটি হাউস করতে হবে। সেখানে পাইপ দিয়ে নির্গত কালো ধোঁয়া ও পানির মধ্যে সংমিশ্রণ ঘটানো হবে। এতে দূষিত কালো ধোঁয়া মিশ্রিত পানি শোধন হয়ে যাবে। পরে পাইপের মাধ্যমে ভাটার ওপরে স্থাপন করা পাতিলে পৌঁছে যাবে। এর পর ভাটার আগুনের তাপে শোধন হওয়া পাতিলের পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যাবে। ফলে পানি ফেলার ঝামেলাও থাকবে না।

যন্ত্রটির ব্যাপারে রুবেল আহমেদ বলেন, ‘আমার এই উদ্ভাবিত যন্ত্রটি বায়ুদূষণ রোধ করে মানুষের মরণঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। কারণ কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় দূষিত অংশ শোধনের পর অতিরিক্ত পানি বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে গিয়ে বৃষ্টিপাতে সহায়তা করবে। আর দূষিত বায়ুর কারণে ফসলাদিরও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে না।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা