kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

বড়াইগ্রাম

সংস্কারের বছর না ঘুরতেই আগের রূপে সড়কগুলো

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংস্কারের বছর না ঘুরতেই আগের রূপে সড়কগুলো

নাটোর-পাবনা মহাসড়কের আহমেদপুর থেকে রাজাপুর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার গত বছর বর্ষার পর সংস্কার করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। চলতি বছরের বর্ষায় কার্পেটিং উঠে মহাসড়কটিতে ছোট-বড় অনেক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ছবিটি সম্প্রতি তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক সংস্কার শেষে বছর না ঘুরতেই আবারও আগের অবস্থায় ফিরে যায়। গত বছর বর্ষার পর নাটোর-পাবনা মহাসড়কের আহমেদপুর থেকে রাজাপুর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার সংস্কার করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। চলতি বছরের বর্ষায় কার্পেটিং উঠে মহাসড়কটিতে ছোট-বড় অনেক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাজার, বনপাড়া বাইপাস, আহম্মেদপুর ও গড়মাটিতে সড়কের অবস্থা বেহাল, বিশেষ করে বনপাড়া বাইপাস ও আহম্মেদপুর বাজার এলাকায়। এ ছাড়া সওজের সব আঞ্চলিক সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে অনেক আগেই। সেখানে মাঝেমধ্যে ইট ফেলে দায়সারাভাবে সংস্কার করা হয়।

অন্যদিকে বনপাড়া বাজার ও আহম্মেদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সম্প্রতি ডিভাইডার নির্মাণ করায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। ডিভাইডারের পাশ দিয়ে অল্প একটু জায়গা দিয়ে কোনোমতে বাস-ট্রাক চলতে পারে। অবশিষ্ট অংশে লোকাল বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকে, বিশেষ করে বনপাড়া বাজার মহাসড়কে, গোপালপুর রোডে দূরপাল্লার ও লোকাল বাসগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকায় প্রতিদিন দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া সড়কের নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করায় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

বনপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ধীরেন্দ্রনাথ সাহা বলেন, ‘বনপাড়া বাইপাস ও বাজার অংশে এবং আহম্মেদপুর বাজারের ডিভাইডার অংশে সড়কের অবস্থা এতটাই নাজুক যে সেখানে সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

মাদরাসা শিক্ষক হাকিমুর রহমান বলেন, ‘বনপাড়া বাজারে সড়কের পাশে পানি জমে থাকে, মাঝখানের অংশ ভাঙা। ফলে পথচারীদের হেঁটে চলাচল অসম্ভব হয়ে যায়, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়ে চরম বিপাকে। প্রায়ই কাদা ছিটে পোশাক নষ্ট হয়ে যায় তাদের। বাধ্য হয়ে মাঝেমধ্যে তাদের বাড়ি ফিরে যেতে হয়।’

কলেজ শিক্ষক আতিকুর রহমান মৃধা বলেন, ‘বনপাড়া বাজারে ডিভাইডার নির্মাণের ফলে পথচারীদের সড়ক পারাপার নিরাপদ হয়েছে। কিন্তু দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট অংশে গাড়ি চলাচল করায় সড়কের ক্ষতি হয়েছে অনেক গুণ।’ সওজের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুভাস কুমার বলেন, ‘অতিরিক্ত লোড পড়ায় ও কোনো কোনো স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়, ভেঙে যায়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা