kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু

পরিবারের দাবি পরিকল্পিত খুন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরিবারের দাবি পরিকল্পিত খুন

সার্জেন্ট আব্দুল্লাহ

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর রোডে দায়িত্ব পালনকালে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট বকশি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহের (শাওন) মৃত্যুর ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলে মেনে নিতে পারছেন না তাঁর পরিবারের সদস্যরা। নিহত আব্দুল্লাহর পরিবারের দাবি, ঘাতক কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভার পূর্ব আক্রোশ থেকে ইচ্ছা করেই তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়েছে।

আব্দুল্লাহর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার প্রায় এক সপ্তাহ ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশে চট্টগ্রাম যান আব্দুল্লাহ। ছুটিতে বাড়িতে এসে অনেক আত্মীয়-স্বজনকে নিমন্ত্রণ করে খাইয়েছেন। যাওয়ার আগে মাকে বলেন, ‘মা, আমি যে জায়গায় চাকরি করছি, সেই জায়গাটা ভালো নয়। খুব তাড়াতাড়ি অন্যত্র বদলি নেব।’

নিহত পুলিশ সার্জেন্ট আব্দুল্লাহর বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম প্রামাণিকটারী গ্রামে। তাঁর বাবার নাম বকশি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। গত বৃহস্পতিবার দায়িত্বরত অবস্থায় চট্টগ্রামের বন্দর রোডে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত হন আব্দুল্লাহ।

শুক্রবার সকালে নিহত পুলিশ সার্জেন্ট আব্দুল্লাহর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আব্দুল্লাহর লাশের অপেক্ষা করছে তাঁর পরিবারের সদস্যসহ স্বজন ও এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে কথা হয় শাওনের একমাত্র ছোট ভাই মেহেদী হাসান বাঁধনের সঙ্গে। শাওনের অকাল মৃত্যু নিয়ে তাঁর ছোট ভাই মেহেদী হাসান বাঁধন বলেন, ‘এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়। আমার ভাই গাড়িচালকের আক্রোশের শিকার, এটা হত্যাকাণ্ড।’ একজন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে এভাবে মেরে ফেলা মেনে নেওয়া যায় না—এমন মন্তব্য করে বাঁধন বলেন, ‘আমার ভাই যে এলাকায় দায়িত্ব পালন করতেন সেই রোডে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির গাড়ি চলাচল করত। বিভিন্ন সময় ভাই ওই সব গাড়ির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতেন। এসব কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ভাইকে গাড়িচাপা দেওয়া হয়েছে।’

আব্দুল্লাহর মৃতদেহ নিয়ে আসা তাঁরই সহকর্মী পুলিশ সার্জেন্ট আলমগীর কবির বলেন, ‘দ্রুত চালককে গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা