kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

বোয়ালমারী আ. লীগে সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের শেলাহাটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের চারজনকে আটক করেছে বোয়ালমারী থানার পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের শেলাহাটি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আতিয়ার রহমান ও ঘোষপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রায়হানউদ্দিন মোল্লা। অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা খলিলুর রহমান। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আতিয়ার রহমান দল ভারী করতে একই গ্রামের রিকশাচালক জাহাঙ্গীরকে (৩০) দলে ভেড়াতে চাপ সৃষ্টি করেন। জাহাঙ্গীর এতে রাজি না হওয়ায় গত সোমবার সকালে জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করে আতিয়ার ও তাঁর লোকজন।

পরে ঘোষপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. খলিলুর রহমান শেখ দুই পক্ষকে নিয়ে মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যায় আতিয়ার রহমানের লোকজন সাতৈর বাজারে ওই ইউপি সদস্যর ওপর চড়াও হয়। হামলায় তিনি আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন হামলাকারীদের ওপর পাল্টা হামলা চালালে মো. আকিদুল ইসলাম নামের এক অটো ভ্যান চালক এবং আতিয়ার রহমান আহত হন। আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্য খলিলুর রহমানকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অন্য দুই আহত ব্যক্তিকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উভয় পক্ষের চারজনকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন শেলাহাটি গ্রামের ছিরু মাতুব্বর (৫৮), আব্দুস শুকুর মোল্লা (৪৮), হাবিব মোল্লা (৩৩) ও সুজন মাহামুদ (২৬)।

বোয়ালমারী থানার ওসি মো. আমিনুর রহমান বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা