kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

ঠাকুরগাঁও জেলা আ. লীগের বর্ধিত সভা

এমপি ও চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘর্ষ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এমপি ও চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘর্ষ

ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপস্থিত নেতারা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুপক্ষের সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এতে প্রায় এক ঘণ্টা সভার কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে সভা আবার শুরু হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, বর্ধিত সভায় হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান মুকুল বক্তব্য শুরু করলে বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলা থেকে আসা ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের সমর্থকরা হৈচৈ শুরু করেন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী দবিরুল সমর্থকদের ওপর চড়াও হন। তখন দুপক্ষের হাতাহাতি ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত  হয়। এক ঘণ্টা পর আবার সভা শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক কুরাইশী বলেন, বর্ধিত সভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত।

ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক কুরাইশী, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আলম টুলু, মাজহারুল ইসলাম সুজন, সহসভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো, সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকারসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান মুকুল ও সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হরিপুর দলীয় কার্যালয়ে ওই দিন উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে ১৪৪ ধারা শিথিল করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা